BSPA Constitution

গঠনতন্ত্র

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি

প্রতিষ্ঠা: ১৯৬২ইং

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির গঠনতন্ত্র

অনুচ্ছেদ-১

নাম

এই সংগঠনের নাম বাংলায় বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি। ইংরেজিতে হবে BANGLADESH SPORTS PRESS ASSOCIATION।

পতাকা ও প্রতীক

সমিতির পতাকার জমিনের রং হবে নেভি ব্লy। এরমধ্যে মনোগ্রাম হিসেবে থাকবে সোনালি রঙের ধাবমান হরিণ।

অবস্থান

সমিতির কেন্দ্রীয় কার্যালয় রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত হবে। বিভিন্ন জেলা ও বিদেশে শাখা-সমিতি গঠন করা যাবে।

সংগঠন

ক. সমিতি বলতে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি বোঝাবে। শাখা সমিতি বলতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশে সমিতির অনুমোদিত শাখাকে বোঝাবে।

খ. গঠনতন্ত্র বলতে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির গঠনতন্ত্রের ধারা ও উপধারা বোঝাবে।

গ. সমিতিতে চার ধরনের সদস্য থাকবে। সদস্য, আজীবন সদস্য, অনারারি সদস্য ও সহযোগী সদস্য।

ঘ. সদস্য বলতে যিনি সমিতির পূর্ণ সদস্য হয়েছেন, তাকে বোঝাবে।

ঙ. সমিতির কর্মকান্ডে কার্যকর ভূমিকা ও পেশাগত অবদান বিবেচনা করে অগ্রজ সদস্যকে আজীবন সদস্য করা যাবে।

চ. ক্রীড়াঙ্গন ও সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্য থেকে অনারারি সদস্য করা যাবে।

ছ. সহযোগী সদস্য বলতে যাকে প্রাথমিক সদস্য করা হয়েছে, তাকে বোঝাবে।

জ. কার্যনির্বাহী কমিটি বলতে গঠনতন্ত্র স্বীকৃত কার্যাবলী পরিচালনার জন্য নির্বাচিত কমিটিকে বোঝাবে।

ঝ. অ্যাডহক কমিটি বলতে গঠনতান্ত্রিক প্রয়োজনে গঠিত অস্থায়ী কমিটিকে বোঝাবে। অ্যাডহক কমিটির সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ৩ (তিন) মাস।

ঞ. সাব-কমিটি বলতে বিভিন্ন কাজ সম্পাদনের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত কমিটিকে বোঝাবে।

ট. বছর বলতে ১লা জানুয়ারি থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বোঝাবে।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ক. লেখার মাধ্যমে ক্রীড়াঙ্গনে ভূমিকা রাখা।

খ. সদস্যদের সমস্যা নিরসনে সহায়তা করা।

গ. বিদেশি ক্রীড়া মাধ্যম ও সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও সম্পর্ক গড়ে তোলা।

ঘ. ক্রীড়া বিষয়ক গ্রন্থ, সাময়িকী, পত্রিকা, স্মরণিকা প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া।

ঙ. ক্রীড়া বিষয়ক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ ইত্যাদি আয়োজন করা।

চ. দেশে ও বিদেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সেরা ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধিত ও পুরস্কৃত করা।

ছ. প্রয়োজনে সামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ডে অংশ নেওয়া।

অনুচ্ছেদ-২

সদস্য হওয়ার জন্য আবেদনের যোগ্যতা

ক. কোন সংবাদ মাধ্যমে স্থায়ীভাবে কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিক, যার চাকরির মেয়াদ এক বছর পূর্ণ হয়েছে, তিনি সহযোগী সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

খ. নিবন্ধিত কোনো পত্রিকা বা ওয়েবসাইটে ক্রীড়া বিষয়ে যার কমপক্ষে ৪০টি মৌলিক লেখা, প্রতিবেদন বা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, তিনি সহযোগী সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

গ. কোনো বেতার বা টেলিভিশনে তিন বছর ক্রীড়া বিষয়ক ধারাভাষ্য প্রদান করলে এবং তিন বছর ফটো সাংবাদিক হিসেবে নিয়োজিত থাকলে, তিনি সহযোগী সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ঘ. বিদেশি ক্রীড়া লেখক বা ক্রীড়া সাংবাদিক, যিনি কমপক্ষে এক বছরের জন্য বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বা করবেন, তিনিও সহযোগী সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ঙ. জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে স্থায়ী ক্রীড়া সাংবাদিক হিসেনে ন্যূনতম তিন বছর কর্মরত আছেন, তিনি সরাসরি পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

চ. নির্ধারিত ফর্মে আবেদন পাওয়ার পর বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে কার্যনির্বাহী কমিটি সহযোগী সদস্য ও সদস্য হওয়ার অনুমোদন দেবে।

অনুচ্ছেদ-৩

সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া

ধারা-১

ক. সহযোগী সদস্যের আবেদনপত্রে সমিতির একজন সদস্যের প্রস্তাবক ও অন্য একজন সদস্যের সমর্থক হিসেবে স্বাক্ষর থাকতে হবে। সদস্যভুক্তি ফি হবে ন্যূনতম ৫০০ (পাঁচশত) টাকা।

খ. আবেদনপত্র পাওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা আবেদনকারীকে জানাবে।

ধারা-২

সহযোগী সদস্য ক্রীড়া সাংবাদিক হলে এক বছর এবং ফ্রী-ল্যান্স ক্রীড়ালেখক হলে দুই বছর পর পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন করতে পারবেন।

ধারা-৩

ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার ও ক্রীড়া ফটোগ্রাফারদের ক্ষেত্রে সদস্য হওয়ার জন্য কমপক্ষে ২৫টি ক্রীড়া বিষয়ক লেখা প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে।

ধারা-৪

যে কোন সদস্য লিখিতভাবে সমিতির সদস্যতা ত্যাগ করতে পারবেন। তবে পদত্যাগের সন্তোষজনক কারণ বিশ্লেষণ করে পুনরায় সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-৪

সদস্যতা বহাল রাখা

ক. সদস্যতা বহাল রাখতে হলে একজন ক্রীড়ালেখকের প্রতি বছর কমপক্ষে ১০টি লেখা প্রকাশিত বা প্রচারিত হতে হবে। অন্যথায় তিনি সহযোগী সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। সহযোগী সদস্যর বেলায়ও প্রতি বছর কমপক্ষে ১০টি লেখা প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে। অন্যথায় তার সহযোগী সদস্য পদ হারাবেন।

খ. ক্রীড়া সাংবাদিক বা ক্রীড়া সম্পাদকের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

গ. ক্রীড়া ধারাভাষ্যকারের বছরে অন্তত ১০টি ধারাভাষ্য প্রচারিত এবং ক্রীড়া ফটোগ্রাফারকে কর্মরত থাকতে হবে।

ঘ. শারীরিক অক্ষমতার বেলায় এ নিয়ম শিথিলযোগ্য।

ঙ. সদস্য হিসেবে ২৫ বছর পূর্ণ হলেও এ নিয়ম শিথিলযোগ্য।

চ. কোন সদস্য পেশা পরিবর্তন করলে বা চাকরি ছাড়ার এক বছরের মধ্যে পুনরায় পেশায় যোগ না দিলে এবং ওই সময়ে ১০টি ক্রীড়া বিষয়ক লেখা প্রকাশিত না হলে তার সদস্যতা স্থগিত হয়ে যাবে। পুনরায় পেশায় যোগ দিলে আবেদনসাপেক্ষে তার সদস্যতা বহাল হবে।

ছ. সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ করতে হবে। মাসিক চাঁদা হবে ন্যূনতম ৩০ টাকা। বিদেশে অবস্থানরত সদস্যের বার্ষিক চাঁদা ন্যূনতম ৫০ মার্কিন ডলার।

জ. আজীবন ও অনারারি সদস্যকে বার্ষিক চাঁদা দিতে হবে না।

অনুচ্ছেদ ৫

সদস্যতা বাতিল বা স্থগিত

ধারা-১

নিচে উল্লিখিত কারণে কার্যনির্বাহী কমিটি যে কারও সদস্যতা স্থায়ীভাবে বাতিল বা যে কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করতে পারবে।

ক. সমিতির স্বার্থবিরোধী, শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সুনামহানিকর কার্যকলাপের অভিযোগ প্রমাণিত হলে।

খ. সদস্য হওয়ার আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্য অসত্য প্রমাণিত হলে।

গ. একই ধরনের অন্য কোন সমিতি বা সংগঠনের সদস্য হলে।

ধারা-২

ক. কোন সদস্যের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ উত্থাপিত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে কার্যনির্বাহী কমিটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেবে। পাশাপাশি তা সমিতির নোটিশ বোর্ডেও টাঙিয়ে দেওয়া হবে। নোটিশ ইস্যুর ১৫ দিনের মধ্যে অভিযুক্ত সদস্যকে কারণ দর্শাতে হবে।

খ. কারণ দর্শানো চিঠি গ্রহণ না করলে, নির্দিষ্ট সময়ে চিঠির জবাব না দিলে অথবা জবাব সন্তোষজনক না হলে, অভিযুক্ত সদস্যের বিরুদ্ধে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এ সংক্রান্ত যে কোন সিদ্ধান্ত নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যকে চিঠির মাধ্যমে জানাতে হবে।

গ. স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত সদস্য সমিতির সদস্যতার জন্য আর বিবেচিত হবেন না। শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য সদস্যতা স্থগিত হলে তার মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর হবে। শাস্তির মেয়াদ শেষ হলে সদস্যতা ফিরে পেতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন করতে হবে।

ধারা-৩

ক. কোন সদস্য পেশা পরিবর্তন করলে, নির্দিষ্ট সংখ্যক লেখা না থাকলে অথবা দুই বছর তার চাঁদা অনাদায়ী থাকলে তার সদস্যতা স্থগিত হয়ে যাবে।

খ. পেশাগত কারণে বা লেখালেখিতে সম্পৃক্ত না থাকার জন্য সদস্যতা স্থগিত হলে শর্তপূরণ সাপেক্ষে এবং চাঁদা অনাদায়ীর ক্ষেত্রে বকেয়া চাঁদা ন্যূনতম ১০০ (একশত) টাকা জরিমানা সহ পরিশোধ করলে তিনি সদস্যতা ফিরে পেতে আবেদন করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ ৬

সমিতির আয়-ব্যয়

ধারা-১

সমিতির আর্থিক বছর হবে ১লা জানুয়ারি থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত। সদস্য ফি, মাসিক চাঁদা, এককালীন অনুদানসহ অন্য কোন বৈধ উপায়ে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে সমিতির তহবিল গঠন করা যাবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ সাধারণ সভার মাধ্যমে সদস্যদের ওপর চাঁদা ধার্য করা যেতে পারে।

ধারা-২

সমিতির লেন-দেন যথাসম্ভব ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে করতে হবে। সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে সমিতির ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হবে। তবে সাধারণ সম্পাদক না থাকলে সভাপতি চেকে সই করতে পারবেন।

ধারা-৩

কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন ছাড়া সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক কেউই এককালীন ১০০০০ (দশ হাজার) টাকার বেশি নগদ রাখতে পারবেন না। পাশাপাশি এর বেশি অর্থ খরচ করতে হলে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় অনুমোদন নিতে হবে।

অনুচ্ছেদ ৭

কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ও দায়িত্ব

সমিতির লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ৮ (আট) জন কর্মকর্তা ও ৯ (নয়) জন সদস্যের একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হবে। বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে নতুন কমিটির সদস্য থাকবেন। কার্যনির্বাহী কমিটি হবে নি¤œরূপ:

সভাপতি ১ (এক) জন

সহ সভাপতি ২ (দুই) জন

সাধারণ সম্পাদক ১ (এক) জন

যুগ্ম সম্পাদক ১ (এক) জন

অর্থ সম্পাদক ১ (এক) জন

সাংগঠনিক সম্পাদক ১ (এক) জন

দফতর সম্পাদক ১ (এক) জন

কার্যনির্বাহী সদস্য ৯ (আট) জন

মোট ১৭ (সতের) জন

ধারা-১

সমিতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও কার্যাবলী পরিচালনার দায়দায়িত্ব কার্যনির্বাহী কমিটির।

ধারা-২

ক. সদস্যতা প্রদান এবং সমিতির ভাবমূর্তি সমুন্নত ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

গ. সমিতির তহবিল গঠনে নানামুখি উদ্যোগ নেওয়া।

ঘ. পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য সাব-কমিটি গঠন করা।

ঙ. সমিতির নিজস্ব পাঠাগার পরিচালনা, মুখপত্র প্রকাশ, সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালাসহ ক্রীড়া কার্যক্রম আয়োজন করা।

ধারা-৩

ক. কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সভাপতির পদ শূন্য হলে সহ সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

খ. সাধারণ সম্পাদকের পদ শূন্য হলে যুগ্ম সম্পাদক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

গ.অন্য কোন সম্পাদকীয় পদ শূন্য হলে কার্যনির্বাহী কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নির্বাহী সদস্যদের মধ্য থেকে তা পূরণ করা হবে।

ঘ. নির্বাহী সদস্যপদ শূন্য হলে সাধারণ সদস্যদের মধ্য হতে কো-অপ্ট করা যাবে।

ধারা-৪

ক. কার্যনির্বাহী কমিটির সভা প্রতি মাসে ন্যূনতম একটি অনুষ্ঠিত হবে।

খ. কার্যনির্বাহী কমিটির কেউ সন্তোষজনক কারণ ছাড়া পরপর ২ (দুই) সভায় অনুপস্থিত থাকলে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তৃতীয় সভায় অনুপস্থিত থাকলে তার পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

গ. পদাধিকার বলে সদস্যের জন্য এ ধারা প্রযোজ্য নয়।

ধারা-৫

কার্যনির্বাহী কমিটি সমিতির বার্ষিক ও দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ, আলোচ্যসূচি নির্ধারণ ও নির্বাচন কমিশন গঠন করবে এবং নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফল করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে।

ধারা-৬

কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সমিতির যাবতীয় কার্যাবলী পরিচালনা করবে এবং বার্ষিক সাধারণ সভায় জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে।

ধারা-৭

কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্রেও কোনো ধারা যথেষ্ট না হলে বা গঠনতন্ত্রে সুনির্দিষ্ট কোন ব্যাখ্যা না থাকলে কার্যনির্বাহী কমিটি সে ব্যাপারে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

ধারা-৮

শাখা সমিতি গঠনতন্ত্র বিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত হলে অথবা নিষ্ক্রিয় প্রমাণিত হলে কার্যনির্বাহী কমিটি ওই শাখার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

ধারা-৯

কার্যনির্বাহী কমিটির সভার বিজ্ঞপ্তি যথাসময়ে সদস্যদের জানাতে হবে। জরুরি সভা ২৪ ঘন্টার নোটিশে আহবান করা যাবে।

ধারা-১০

কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের উপস্থিতি কোরাম বলে বিবেচিত হবে। মুলতবি ও জরুরি সভার ক্ষেত্রে কোরাম প্রয়োজন নেই।

অনুচ্ছেদ ৮

কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব বণ্টন

সভাপতি

ক. সমিতির গঠনতন্ত্র সমুন্নত রাখবেন। তিনি সাধারণ সভা, বিশেষ সাধারণ সভাসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সব সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সভায় আলোচ্য বিষয়বস্তুর সারাংশ ও গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহে তিনি স্বাক্ষর করবেন।

খ. কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পক্ষে কিংবা বিপক্ষে ভোটসংখ্যা সমান হলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে।

গ. প্রয়োজনবোধে কার্যনির্বাহী কমিটির সভা, সাধারণ সভা ও বিশেষ সাধারণ সভা আহবান করতে পারবেন।

সহ সভাপতি

ক. সভাপতির কাজে সহায়তা করবেন এবং সভাপতির অনুপস্থিতিতে ক্রমানুসারে তার দায়িত্ব পালন করবেন। কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে সহ সভাপতির সিনিয়রিটি নির্ধারিত হবে।

সাধারণ সম্পাদক

ক. কার্যনির্বাহী কমিটির প্রধান হিসেবে সমিতির সুষ্ঠু পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। চিঠিপত্র ও দফতরিক কাজে তিনিই স্বাক্ষর করবেন। দায়িত্ব পালনে তিনি তার কাজের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি, সাধারণ সভা ও বিশেষ সাধারণ সভার কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।

খ. সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও অভিযোগনামার ব্যাপারে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

গ. কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যদের কাজ তত্ত্বাবধান করবেন এবং খরচের বিল ও ভাউচার অনুমোদন করবেন।

ঘ.বার্ষিক ও দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় তার কার্যক্রমের প্রতিবেদন পেশ করার আগে কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন নেবেন।

ঙ. সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে কার্যনির্বাহী কমিটির সভা, সাধারণ সভা, জরুরি সভা, বিশেষ সাধারণ সভা আহবান করবেন এবং সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন করবেন।

চ. বিশেষ প্রয়োজনে সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তবে কার্যনির্বাহী কমিটির পরবর্তী সভায় তার অনুমোদন নিতে হবে।

যুগ্ম সম্পাদক

সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করবেন এবং তার অবর্তমানে দায়িত্ব পালন করবেন।

অর্থ সম্পাদক

ক. সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা গ্রহণ করবেন।

খ. সমিতির আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখবেন এবং অর্থ সংক্রান্ত সব নথিপত্র সংরণ করবেন।

গ. দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় প্রতিবেদন উপস্থাপনের আগে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে নিরীার ব্যবস্থা করবেন।

ঘ. আয়-ব্যয়ের হিসাব বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপন করার আগে কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন নেবেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক

ক. সমিতির কর্মকান্ডের প্রসার ও সুসংহত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবেন।

খ. শাখা সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন এবং কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেবেন।

গ. সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে সমিতির সুসম্পর্ক রায় সহায়তা করবেন।

দফতর সম্পাদক

ক. সমিতির দফতর পরিচালনা ও নথিপত্র সংরণ করবেন।

খ. সমিতির বিভিন্ন সভার কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্তসমূহ লিপিবদ্ধ করবেন এবং পরের সভায় তার অনুমোদন নেবেন।

গ. সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি তৈরি, সভার নোটিশ, আমন্ত্রণপত্রসহ বিভিন্ন চিঠিপত্র তৈরি ও বিলিবন্টনের ব্যাপারে সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করবেন।

অনুচ্ছেদ ৯

সাধারণ সভা

ধারা-১

ক. সাধারণ সভা সমিতির সর্বোচ্চ মতার অধিকারী। সাধারণ সভায় অংশ নিতে হলে সদস্যদের বার্ষিক চাঁদা ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

খ. এই সভা প্রতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে ডিসেম্বরে সাধারণ সভা অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে তা অবশ্যই পরবর্তী জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

ধারা-২

ক. সাধারণ সভায় সমিতির চাঁদা পরিশোধ করা মোট সদস্যের দুই তৃতীয়াংশের উপস্থিতিতে কোরাম হবে।

খ. নির্ধারিত সময়ে কোরাম না হলে সভাপতি সভা সর্বোচ্চ এক ঘন্টার জন্য মুলতবি করবেন। এরপর অধের্কের বেশি সদস্য উপস্থিত হলেই সাধারণ সভা শুরু করা যাবে। অর্ধেক সদস্য উপস্থিত না হলে সভা বাতিল বলে গণ্য হবে এবং নতুন তারিখ নির্ধারণ করে সাধারণ সভা আহবান করতে হবে।

গ. গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন বা সমিতির অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত অবশ্যই দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে গৃহীত হতে হবে।

ধারা-৩

ক. দ্বিŸার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে করা না গেলে ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যনিবাহী কমিটি বাতিল হয়ে যাবে।

খ. এ অবস্থায় সাধারণ সদস্যরা তলবি সভা আহবান করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে পারবে।

গ. অ্যাডহক কমিটি তিন মাসের মধ্যে সাধারণ সভা আহবান করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে এবং নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে বাধ্য থাকবে।

ধারা-৪

সাধারণ সভার েেত্র কমপে ৩০ (ত্রিশ) দিন এবং বিশেষ বা জরুরি সাধারণ সভার েেত্র ১৫ (পনের) দিন আগে সদস্যদের লিখিতভাবে জানাতে হবে।

ধারা-৫

ক. সাধারণ সভায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিগত বছরের কার্যক্রমের লিখিত প্রতিবেদন আলোচনা ও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবেন। সাধারণ সদস্যরা প্রতিবেদনের ওপর তাদের মতামত দিতে পারবেন।

খ. শাখা সমিতির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বার্ষিক ও দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় তাদের শাখার কার্যক্রমের ওপর লিখিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন।

ধারা-৬

বার্ষিক সাধারণ সভায় সমিতির গঠনতন্ত্র সংশোধন, সংযোজন, পরিবর্তন ও পরিমার্জন করা যাবে। তবে এ ব্যাপারে কোনো সদস্যের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব থাকলে তা লিখিতভাবে ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে সাধারণ সম্পাদকের কাছে পৌঁছাতে হবে।

অনুচ্ছেদ ১০

বিশেষ সাধারণ সভা

ধারা-১

বিশেষ পরিস্থিতির উদ্ভব হলে অথবা গঠনতন্ত্র সংশোধন করতে হলে অথবা কার্যনির্বাহী কমিটির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব থাকলে বিশেষ সাধারণ সভা আহবান করা যাবে।

ধারা-২

সমিতির সভাপতি বিশেষ সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করবেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব থাকলে সহ সভাপতি অথবা সভার প্রস্তাবে সিনিয়র সদস্যদের কেউ সভাপতিত্ব করবেন।

ধারা-৩

সাধারণ সভার বিধান অনুযায়ী এ সভার কোরাম হবে এবং কোন সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব সাধারণ সভার নিয়মেই গৃহীত হবে।

অনুচ্ছেদ ১১

তলবি সভা

ধারা-১

সমিতির মোট সদস্যের দুই তৃতীয়াংশের লিখিত দাবির ভিত্তিতে তলবি সভা আহূত হবে।

ধারা-২

সাধারণ সভার নিয়ম অনুযায়ী এ সভার কোরাম হবে এবং সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হবে।

অনুচ্ছেদ-১২

অনাস্থা প্রস্তাব

ধারা-১

অনাস্থা প্রস্তাবে সমিতির দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের নামসহ স্বাক্ষর থাকতে হবে।

ধারা-২

অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনার জন্য আহূত বিশেষ সাধারণ সভায় স্বাক্ষরকারী সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ উপস্থিত না থাকলে সভায় প্রস্তাব আলোচিত হবে না।

ধারা-৩

উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের সম্মতি ছাড়া অনাস্থা গৃহীত হবে না।

অনুচ্ছেদ-১৩

নির্বাচন

ধারা-১

দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় সমিতির পরবর্তী ২ (দুই) বছরের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে সাধারণ সভা ও নির্বাচন ভিন্ন ভিন্ন দিনে আয়োজন করা যাবে।

ধারা-২

নির্বাচনের ১ (এক) মাস আগে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনে একজন চেয়ারম্যান ও ন্যুনতম দুইজন সদস্য থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে সমিতির বাইরের কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিকেও নির্বাচন কমিশনের সদস্য করা যাবে।

ধারা-৩

নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্য নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এবং তারা কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণাও চালাতে পারবেন না।

ধারা-৪

নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের নিয়মাবলী ও ভোটার তালিকা নির্বাচনের ১৫ দিন আগে অফিসের নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেবে।

ধারা-৫

গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্য নির্বাচিত হবে।

ধারা-৬

কোনো পদে প্রার্থীগণ সমসংখ্যক ভোট পেলে নির্বাচন কমিশন পদটি শূন্য ঘোষণা করবে। কমিশন সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে পরবর্তী ৩ (তিন) দিনের মধ্যে শূন্য পদের নির্বাচন সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেবে।

ধারা-৭

নির্বাচনের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান নির্বাচনের ফল ঘোষণা করবেন।

ধারা-৮

সদস্য হিসেবে তিন বছর মেয়াদপূর্তির আগে কোনো সদস্য কার্যনির্বাহী কমিটির কোনো পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না।

ধারা-৯

কোনো সদস্যই পর পর দুই মেয়াদের বেশি সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির একই কর্মকর্তা পদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তবে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচন করতে পারবেন।

ধারা-১০

বিদায়ী কার্যনির্বাহী কমিটি যৌথসভার মাধ্যমে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। নির্ধারিত সময়ে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে নতুন কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।

ধারা-১১

আজীবন সদস্য ও অনারারি সদস্যরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

ধারা-১২

(ক) যদি কোনো পদে নির্বাচন না হয় কিংবা শূন্য থাকে, তবে কার্যনির্বাহী কমিটি প্রথম সভায় শূন্য পদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। কার্যনির্বাহী কমিটি চাইলে এক মাসের মধ্যে শূন্য পদে নির্বাচন অথবা কো-অপ্ট করতে পারবে।

(খ) কোনো প্রার্থী ফলাফলের ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করলে ফল ঘোষণার এক (১) ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর ন্যূনতম ১০০০ (এক হাজার) টাকা প্রদানপূর্বক (অফেরতযোগ্য) লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন উপস্থিত সবার সামনে ওই পদের ব্যালট পেপার পুনঃগণনার ব্যবস্থা নেবে।

অনুচ্ছেদ-১৪

ভোটার

ধারা-১.

যথাসময়ে চাঁদা পরিশোধকারী সমিতির সদস্য ও আজীবন সদস্য ভোটার হওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেন। নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ভোটার তালিকাই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

ধারা-২

শাখা সমিতির সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদক ভোট দিতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-১৫

শাখা সমিতি গঠন

ধারা-১

দেশের বিভিন্ন জেলায় অথবা বিদেশে সমিতির শাখা গঠন করা যাবে, যার নামকরণ হবে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি, … শাখা।

ধারা-২

নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ হবে ২ (দুই) বছর।

ধারা-৩

কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধির উপস্থিতিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ধারা-৪

শাখা সমিতি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের ১৫ দিনের মধ্যে অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে পাঠাতে হবে।

ধারা-৫

শাখা সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির রূপরেখা হবে

সভাপতি ১ (এক) জন

সহ সভাপতি ১ (এক) জন

সাধারণ সম্পাদক ১ (এক) জন

যুগ্ম সম্পাদক ১ (এক) জন

অর্থ সম্পাদক ১ (এক) জন

সদস্য ৬ (ছয়) জন

মোট ১১ (এগারো) জন

ধারা-৬

শাখা সমিতির সদস্য হওয়ার জন্য কর্মরত সাংবাদিক এবং ক্রীড়ালেখক আবেদন করতে পারবেন। ক্রীড়ালেখকের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫টি লেখা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত হতে হবে।

ধারা-৭

শাখা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং অর্থ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হবে। তবে সাধারণ সম্পাদক না থাকলে সেক্ষেত্রে সভাপতি চেকে সই করতে পারবেন।

ধারা-৮

শাখা সমিতির মাসিক সদস্য চাঁদা হবে ন্যূনতম ১০ টাকা। সদস্যতা বাতিল এবং স্থগিত করার ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন কেন্দ্রীয় সমিতির গঠনতন্ত্রে বর্ণিত পদ্ধতির অনুরূপ হবে।

ধারা-৯

শাখা সমিতির সদস্য বিশেষ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সমিতির সহযোগী সদস্যতার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে তাকে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শাখার লিখিত অনুমোদনপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

অনুচ্ছেদ-১৬

আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যতা

ধারা-১

সমিতি ও শাখা-সমিতির যে কোনো সদস্য নির্ধারিত ফি দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (এআইপিএস)-এর কিংবা এ জাতীয় কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে।

ধারা-২

যে কোনো ক্রীড়া সাংবাদিক ও ক্রীড়ালেখক এআইপিএস-এর সদস্য হওয়ার জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে সমিতির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

অনুচ্ছেদ-১৭

কল্যাণ তহবিল

ধারা-১

সমিতি প্রয়োজনে সদস্যদের কল্যাণে তহবিল গঠন করতে পারবে।

ধারা-২

কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান, সচিব ও কোষাধ্যক্ষ সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে মনোনীত হবেন।

ধারা-৩

কল্যাণ তহবিল তাদের নিজস্ব পরিচালনা বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

ধারা-৪

কল্যাণ তহবিল তার কর্মকান্ডের জন্য সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।

BSPA Constitution

BSPA Constitution  sadsadsad