News of BSPA

ভলিবল রিপোর্টিং বিষয়ক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) ব্যবস্থাপনায় ব্লেজার বিডি-বিএসপিএ ওয়ার্কশপ আয়োজিত হয়েছে আজ রবিবার। এবারের ওয়ার্কশপের বিষয়বস্তু ছিল ভলিবল রিপোর্টিং। যেখানে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সম্মেলন কক্ষে ওয়ার্কশপের উদ্বোধন করেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ব্লেজার বিডি’র কর্নধার এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) কোষাধ্যক্ষ কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল। বিএসপিএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি পরাগ আরমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ’র সঞ্চালনায় এবারের ওয়ার্কশপটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান মনিরুল হক এবং বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল দলের কোচ গোলাম রসুল মেহেদী। এ সময় ভলিবলের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিএসপিএ’র সিনিয়র সদস্য এবং ভলিবল ফেডারেশনের সদস্য মোস্তফা কামাল। ওয়ার্কশপের সমাপ্তি টানেন বিএসপিএ’র সাবেক সভাপতি মো. হাসান উল্লাহ খান রানা। এই ওয়ার্কশপের মধ্য দিয়ে উপস্থিত ক্রীড়া সাংবাদিক এবং ক্রীড়ালখকরা ভলিবল খেলার নিয়মকানুন সম্পর্কে সম্মক ধারণা পেয়েছেন যা তাদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে। 

উল্লেখ্য, বিএসপিএ গত ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন খেলার রিপোর্টিং এর উপর ওয়ার্কশপ আয়োজন করে আসছে।  

ধন্যবাদান্তে
 
সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ
সাধারণ সম্পাদক

বিএসপিএ’র বার্ষিক সাধারণ সভা ২০১৮ অনুষ্ঠিত


বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) বার্ষিক সাধারণ সভা ২০১৮ বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) ভবনের ডাচ-বাংলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। বিএসপিএ’র সভাপতি মোস্তফা মামুনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ’র সঞ্চালনায় সকাল ১১টায় সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক মল্লিকের কোরআন তেলওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এজিএম’র কার্যক্রম। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন বিএসপিএ সহ-সভাপতি পরাগ আরমান। দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ২০১৭’র কার্যবিবরণী পাঠ করেন বিএসপিএ’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রাশিদা আফজালুন নেসা। এরপর পর্যায়ক্রমে সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ, অর্থ সম্পাদক রাহেনুর ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কবিরুল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। বিএসপিএ’র ৬টি শাখার প্রতিনিধিরা তাদের বার্ষিক সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এরপর সবক’টি প্রতিবেদন সংশোধন সাপেক্ষে অনুমোদিত হয়। এবারের বার্ষিক সাধারণ সভায় বিএসপিএ তাদের নতুন লোগো উন্মোচন করে এবং সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করে। সভায় বিএসপিএ’র ১১ জন নবীন সদস্যকেও বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর মুক্ত আলোচনা শেষে সভাপতি মোস্তফা মামুন সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার ইতি টানেন।

ক্রীড়ালেখনীর সুবর্ণজয়ন্তীতে সম্মাননা পেলেন পাঁচ অগ্রজ সাংবাদিক

পাঁচ বিরলপ্রজ ক্রীড়া সাংবাদিক এবং লেখককে আজ সম্মাননা দিয়েছে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)। যারা ইতিমধ্যে ক্রীড়া বিষয়ক সাংবাদিকতা এবং লেখালেখির ৫০ বছর পার করেছেন সেরকম পাঁচজন ব্যক্তিত্বকে সম্মানিত করতে পেরে বিএসপিএ নিজেই সম্মানিত বোধ করছে। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন- মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, আব্দুল তৌহিদ, আজম মাহমুদ, ইকরামউজ্জমান এবং এমএ হান্নান খান। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক ক্রেস্ট এবং উপহার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রবীণ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং ক্রীড়ালেখক কামাল লোহানী এবং তাঁদের ব্লেজার পড়িয়ে দেন বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুন।

ক্রীড়ালেখনীর সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কামাল লোহানী যে সকল ক্রীড়া সাংবাদিক এবং ক্রীড়াবিদ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণ করে বলেন, তাদের দেখানো পথ ধরেই ক্রীড়া সাংবাদিকতা এখন পেয়েছে ব্যপকতা। তিনি আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের ক্রীড়া সাংবাদিকরা আমার কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তবে হালের কমেন্ট্রি বা ধারাভাষ্যের মান কমে গেছে আমার বিবেচনায়। তিনি বলেন, ‘খেলাবিষয়ক লেখালেখি নিয়ে জীবনের পঞ্চাশটি বছর বা তারও বেশি সময় পার করে দেওয়াটা যে কোনো বিবেচনায় একটি অনন্য কৃতিত্বের। আর সেই বিরলপ্রজ ক্রীড়াসাংবাদিক ও ক্রীড়ালেখকদেরকে তাঁদের প্রাপ্য সম্মান বুঝিয়ে দিয়ে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি (বিএসপিএ) তার দায়িত্ব পালন করে ধন্য হয়েছে। কারণ এমন কীর্তিমানদের সম্মানিত করতে পারাটাও অনন্য মর্যাদার।’ সম্মাননা প্রাপ্ত মুহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘নিয়তিই আমাকে ক্রীড়া সাংবাদিকতায় টেনে নিয়েছে।’ আবদুল তৌহিদ বলেন, ‘এ জাতীয় সম্মাননা পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ, আমি কৃতার্থ।’ আজম মাহমুদ বলেন, ‘আমি ১৯৯৭ সালে এএফসি পুরস্কার পেলেও আজকের এ সম্মাননা আমার কাছে অনেক বড়।’ ইকরামউজ্জমান যোগ করেন, ‘জন্মলগ্ন থেকে আমি যে সংগঠনের সাথে জড়িত, সেই সংগঠনই আমাকে সম্মানিত করলো। এমএ হান্নান খান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘দৈবক্রমে ক্রীড়া সাংবাদিকতায় এলেও আজকের সম্মাননা অনন্য।’

বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুন বলেন, ‘বিএসপিএ এখন অনেক সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গে জড়িত। এসব কাজের জন্য আমরা এখন অনেক পরামর্শ পাই, যা আমাদেরকে উৎসাহিত করে।’ অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান এবং বিএসপিএ’র সহ-সভাপতি শেখ সাইফুর রহমান। 
 

ম্যাক্স-বিএসপিএ  বর্ষসেরা সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদ

ম্যাক্স বিএসপিএ নাইট ২০১৮’র বর্ষসেরা সাংবাদিকের স্বীকৃতি পেয়েছেন কালের কন্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার নোমান মোহাম্মদ। আজ ফারস রিসোর্টস অ্যান্ড হোটেলের সিঁদুরপুর হলে আয়োজিত জমকালো পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তার হাতে পুরষ্কার তুলে দেন দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ফেডারেশন ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক কৃতী ফুটবলার কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যাক্স গ্র“পের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার  গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর। সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুজ্জামান রাজীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএসপিএর সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমেদ আনন্দ।

এবারই পরিসর বেড়েছে ম্যাক্স-বিএসপি অ্যাওয়ার্ডের। যুক্ত হয়েছেন ফটোসাংবাদিক ও অন্য দুই ক্রীড়াসাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরাও। পুরষ্কারের মঞ্চেও তাদের গর্বিত পদচারণা। সেরা সাক্ষাৎকারের জন্য আতাউল হক মল্লিক ট্রফি জিতেছেন কালের কন্ঠ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি সনৎ বাবলা। রানার আপ একই প্রতিষ্ঠানের নোমান মোহাম্মদ ও মাসুদ পারভেজ। বর্ষসেরা এক্সক্লুসিভ রিপোর্টের জন্য বদি-উজ-জামান ট্রফি পেয়েছেন এটিএন নিউজের শেখ আশিক। রানার আপ হয়েছেন নোমান মোহাম্মদ ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের রিয়াসাদ আজিম। সেরা সিরিজ রিপোর্টের জন্য আব্দুল হামিদ ট্রফি জিতেছেন নোমান মোহাম্মদ, রানার্স আপ শামীম চৌধুরি ( এশিয়ানমেইল২৪ ডটকম) ও মাসুদ আলম (প্রথম আলো)। সেরা ফিচার রিপোর্ট/ ডকুমেন্টারির জন্য রণজিৎ বিশ্বাস ট্রফি জিতেছেন ক্রিকইনফোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইসাম। রানার্স আপ রানা আব্বাস, শাহজাহান কবীর ও সনৎ বাবলা। সেরা আলোকচিত্রের জন্য বদরুল হুদা ট্রফি জিতেছেন নিউ এজ পত্রিকার সৌরভ লষ্কর। রানার আপ মীর ফরিদ ও প্রথম আলোর শামসুল হক টেংকু। বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছেন রাহেনুর ইসলাম, ফয়সাল তিতুমীর, রাশেদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম রনি ও রফিকুল হায়দার ফরহাদ।


এক নজরে
বদরুল হুদা চৌধুরি ট্রফি (সেরা ফটোগ্রাফ)- সৌরভ লস্কর
রণজিৎ বিশ্বাস ট্রফি (সেরা ফিচার/ডকুমেন্টারি)- মোহাম্মদ ইসাম
আব্দুল হামিদ ট্রফি ( সেরা সিরিজ রিপোর্ট)-নোমান মোহাম্মদ
বদি-উজ-জামান ট্রফি (সেরা এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট)- শেখ আশিক
আতাউল হক মল্লিক ট্রফি (সেরা সাক্ষাৎকার) সনৎ বাবলা
বর্ষসেরা ক্রীড়াসাংবাদিক- নোমান মোহাম্মদ

 

মার্সেল-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল সমাপ্ত

মার্সেল-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভালে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেন কবিরুল ইসলাম। প্রথম রানার্সআপ হন আরিফ সোহেল আর দ্বিতীয় রানার্সআপ শামীম হাসান। কার্নিভালের সাতার ও ব্যাডমিন্টন ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন, ক্যারম এককে রানারআপ ও ডাবলসে তৃতীয় হয়ে, স্পোর্টস ম্যান অব দ্যা ইয়ার-২০১৮ পুরস্কার?ও জিতে নেন কবির। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ভেন্যুতে সাতদিনের এই কার্নিভালে, ৮টি ডিসিপ্লিনের ১১টি ইভেন্টে অংশ নেন বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি-বিএসপিএ’র শতাধিক সদস্য। দুপুরে শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন, স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর ইকবাল-বিন আনোয়ার। এ সময় বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুন, সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমেদ আনন্দ ?ও বিএসপিএ’র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। খবর বিজ্ঞপ্তির।

মোস্তফা মামুন সভাপতি-সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)’র দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন ২০১৭ ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ শনিবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা মামুন। সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান। আর্থিক হিসাব উপস্থাপন করেন অর্থ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ। সাংগঠনিক রিপোর্ট উপস্থাপন করেন সাংগঠনিক সম্পাদক সামন হোসেন। সংশোধন সাপেক্ষে যা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন পায়। এরপর মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সাধারণ সদস্যরা। একই দিন ২০১৮-১৯ মেয়াদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি সব পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন সম্পন্ন হলেও সহ সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে পরাগ আরমান (১২৮ ভোট) ও শেখ সাইফুর রহমান (১০৬ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন পরিচালনা করেন বিমান ভট্টাচার্য (প্রধান নির্বাচন কমিশনার), মোফাখখারুল ইসলাম দিলখোশ, মোস্তাক আহমেদ ও ইয়াহিয়া মুন্না (নির্বাচন কমিশনার)।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি: মোস্তফা মামুন (সভাপতি), পরাগ আরমান ও শেখ সাইফুর রহমান (সহ সভাপতি), সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ (সাধারণ সম্পাদক), আশরাফ হোসেন মিথুন ও সামন হোসেন (যুগ্ম সম্পাদক), রাহেনুর ইসলাম (অর্থ সম্পাদক), কবিরুল ইসলাম (সাংগঠনিক সম্পাদক), জিয়াউদ্দিন সাইমুম (দপ্তর সম্পাদক), ইকরামউজ্জমান, খায়রুল ইসলাম শাহীন, আমিনুল হক মল্লিক, সাহাবউদ্দিন সাহাব, কাজী শহীদুল আলম, তালহা বিন নজরুল, রাকীবুর রহমান, রাশিদা আফজালুন্নেছা, রফিকুল ইসলাম মিয়া ও মাহবুব সরকার।

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব আল হাসান – কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড 

জমকালো আয়োজনে হয়ে গেলো কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০১৭’র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। যেখানে ২০১৭ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার, বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তিনি পেছনে ফেলেছেন এশিয়ান এয়ারগান চ্যাম্পিয়নশিপে দশ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টের জুনিয়র বিভাগে রৌপ্যজয়ী অর্নব সারার লাদিফ ও ফুটবলার জাফর ইকবালকে। সাকিব ২০১৭ সালে টেস্টে ৬৬৫ রান ও ২৯ উইকেট নিয়েছেন। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। ওয়ানডেতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সেও আছে শতরান, মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে ২২৪ রানের জুটি।

বাণিজ্য মন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহমেদ এমপি বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের নাম ঘোষণা করেন ও ট্রফি ও সার্টিফিকেট তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থার এশিয়া অঞ্চলের (এআইপিএস) সহ সভাপতি জনাব সাবা নায়েকে, স্কয়ার টয়লেট্রিজের হেড অব মার্কেটিং মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) সভাপতি জনাব মোস্তফা মামুন।

দর্শক ভোটে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড-এ বছরের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। 

এছাড়া বর্ষসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, বর্ষসেরা ফুটবলার জাফর ইকবাল, বর্ষসেরা দাবাড়– এনামুল হোসেন রাজীব, বর্ষসেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড়, সোনম সুলতানা সোমা, বর্ষসেরা শ্যূটার অর্নব সারার লাদিফ, বর্ষসেরা সাঁতারু জোনায়না আহমেদ, উদীয়মান অ্যাথলেট জহির রায়হান, বর্ষসেরা কোচ সালাউদ্দিন (ক্রিকেট), বর্ষসেরা সংগঠক মাহফুজা আক্তার কিরণ (ফুটবল), তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মফিজ উদ্দিন (ফুটবল), বর্ষসেরা স্পন্সর রবি, বিশেষ সম্মাণনা সালাম মুর্শেদী (ফুটবল) ও বাদল রায় (ফুটবল) পুরস্কৃত হয়েছেন।

কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে ক্রীড়াঙ্গনের তারার মেলা বসেছিল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে। বিভিন্ন খেলার সাবেক-বর্তমান তারকারা ছাড়াও যেখানে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক, বিভিন্ন ফেডারেশনের কর্মকর্তারা। উপস্থিত ছিলেন ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সাবেক ফুটবলার আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু, জাকারিয়া পিন্টু, কায়সার হামিদ, ইলিয়াস হোসেন, সত্যজিত দাস রুপু, ক্রীড়া সংগঠক তরফদার রুহুল আমিন, সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক রকিুবুল হাসান, ক্রিকেট কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম, জালাল আহমেদ চৌধুরী, সংগঠক রইস উদ্দিন আহমেদ, হকি তারকা আব্দুস সাদেক, সাতবারের দ্রুততম মানব মোশাররফ হোসেন শামীম, সাবেক অ্যাথলেট সাইদুর রব, শামীমা সাত্তার মিমু, সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলা, ভারোত্তলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত, সাবেক শ্যুটার সাবরিনা সুলতানা, সাবেক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কামরুন্নাহার ডানা, দাবাড়– গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ, রানী হামিদ, সাবেক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় সাইদুর রহমান সাদী, দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল।

অনুষ্ঠানে ভিন্নধর্মী পারফরম্যান্স দেখান বিকেএসপির জিমন্যাস্টরা। সঙ্গীতের মূচ্ছর্ণার সাথে তাদের শারীরিক কসরত চোখ ধাঁধিয়ে দেয় উপস্থিত দর্শকদের। এছাড়া সঙ্গীত পরিবেশন করেন জাতীয় দলের ফুটবলার ওয়ালি ফয়সাল। তার কন্ঠে ’আমরা করবো জয়’ গানটি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্য আনতে নতুনভাবে উদ্দীপ্ত করে। এছাড়া ফ্রি স্টাইল ফুটবলের কৌশল দেখান ময়মনসিংহের ছেলে মুদাব্বির। আর নাচের তালে শিল্পীরা বিভিন্ন খেলাকে ফুটিয়ে তোলেন।

দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক ও ক্রীড়া লেখকদের সবচেয়ে পুরনো সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) ১৯৬৪ সাল থেকে সেরা ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের পুরস্কৃত করার ধারা চালু করেছিল। 

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় সাকিব অর্ণব জাফর

দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক ও ক্রীড়া লেখকদের সবচেয়ে পুরনো সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ), যা বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি হিসেবে সুপরিচিত। ১৯৬২ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হবার দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৪ সাল থেকে সেরা ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের পুরস্কৃত করার ধারা চালু করেছিল। অর্ধশতাব্দিরও বেশি সময় ধরে কয়েকশত ব্যক্তি, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান পেয়েছে মর্যাদার এই পুরস্কার।

তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ৬ জানুয়ারি, ২০১৮ জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১৭ সালের সেরাদের পুরস্কার তুলে দেয়া হবে। ২০১৭ সালের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এ বছর ১৪টি ক্যাটেগরিতে পুরস্কার দেয়া হবে। বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, শ্যুটার অর্ণব সারার লাদিফ ও ফুটবলার জাফর ইকবাল। বিএসপিএ’র জুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজনকে বেছে নেয়া হবে বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে। এবছর থেকে তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ক্যাটেগরিতে একজনকে পুরস্কৃত করার ধারা চালু করেছে বিএসপিএ। প্রথমবার এই পুরস্কার পাচ্ছেন কলসিন্দুরের ফুটবল বিপ্লবের নেপথ্য কারিগর মফিজুল হক। 

এছাড়া গত দুইবারের ধারাবাহিকতায় পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ডের জন্যও বিএসপিএ-এর ওয়েবসাইটে চলছে ভোটিং। যেখানে সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, টেস্ট ও টি টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ ও ফুটবলার জাফর ইকবাল। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ পাবেন এই পুরস্কার।

গত দুইবারের ধারাবাহিকতায় এবারো স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড পৃষ্ঠপোষকতা করছে। তাদের ব্র্যান্ড কুল-এর নামে যার নামকরণ কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড। যা বাংলাদেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয়, মর্যাদার ও জমকালো ক্রীড়া পুরস্কার।

এ উপলক্ষে সোমবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুন, সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান রাজিব, সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান হাসানউল্লাহ খান রানা, জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান তালহা বিন নজরুল ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের মার্কেটিং ম্যানেজার ফজল মাহমুদ রনি।
 

শুরু হচ্ছেপপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড

বছর ঘুরে ফিরে এলো কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড। আগামী বছর ৬ জানুয়ারি জমকালো আয়োজনে তুলে দেয়া হবে ২০১৭ সালের সেরাদের পুরষ্কার।বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই পুরস্কার শুরু হয়েছিল ১৯৬৪ সালে।

গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারো বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড পৃষ্ঠপোষকতা করছে দেশের অন্যতম বৃহৎ করপোরেট প্রতিষ্ঠান স্কয়ার গ্রুপ। তাদের ব্র্যান্ড কুল-এর সৌজন্যে বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড নামকরণ করা হয়েছে কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড।

এবারো থাকছে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড। যেখানে স্পোর্টস ফ্যানদের ভোটে বেছে নেয়া হবে সেরাকে। যার কার্যক্রমের প্রথম ধাপ শুরু হচ্ছে আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর, বুধবার।

এবারো দুইধাপে হবে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড।

১.    দর্শক মতামত
২.    দর্শক পছন্দের সেরা খেলোয়াড়ের ভোটিং

পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে ২০১৭ সালের সেরা ক্রীড়াবিদের নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে প্রথম ধাপের ভোটিং। যে কেউ বেছে নিতে পারবেন তার পছন্দের ফাইনালিস্ট। শুধুমাত্র বিএসপিএ ওয়েবসাইট www.bspa.com.bd -তে গিয়ে মন্তব্য জানানো যাবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে সেরাদের নিয়ে দ্বিতীয় দফা ভোটিং শুরু হবে ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ পাবেন পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড। যা ঘোষণা ও তুলে দেয়া হবে কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে।

প্রতিদিন লটারির মাধ্যমে ভোটদাতাদের মধ্য থেকে বিজয়ী বেছে নিয়ে দেয়া হবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

 

ডিবিএল-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল স্পোর্টসম্যান অব বিএসপিএ মাহমুদুন্নবী চঞ্চল

বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) সদস্যদের জন্য আয়োজিত ‘ডিবিএল-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০১৭’তে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মাহমুদুন্নবী চঞ্চল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ও প্রাইজমানি তুলে দেন। তিনি টেবিল টেনিস দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন, এককে রানারআপ, আর্চ্যারিতে রানারআপ হয়েছেন। এছাড়া দাবা, শুটিং, আরচ্যারি, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন এবং ক্যারাম ইভেন্টে সেরাদের পুরস্কৃত করা হয়। সভাপতিত্ব করেন বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুন।

একই অনুষ্ঠানে সংগঠনের নতুন সদস্যদের বরণ করে নেয়া হয়। নতুন সদস্যরা হলেন মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, তোফায়েল আহমেদ, নাগিব বাহার রাতুল, মোঃ নাজমুস সাকিব, মাহফুজুল ইসলাম, এ কে এম ফয়জুল ইসলাম, মোঃ সাজিদ মুস্তাহিদ, সৈয়দ ফায়েজ আহমেদ, সাইফুল ইসলাম রুপক, ইকবাল কাউসার, জাফিউল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন সিয়াম ও টি ইসলাম তারিক।

ডিবিএল বিএসপিএ স্পোর্টস কার্ণিভাল ২০১৭ বিজয়ীরা

ইভেন্ট

চ্যাম্পিয়ন

 

রানার্সআপ

ব্যাডমিন্টন একক

 

মুসাহো মুকুল

শামীম হাসান

 

ব্যাডমিন্টন দ্বৈত

 

মুসাহো মুকুল-শামীম হাসান

কবিরুল ইসলাম-আরাফাত দাড়িয়া

 

টেবিল টেনিস একক

 

রুমেল খান

মাহমুদুন্নবী চঞ্চল

 

টেবিল টেনিস দ্বৈত

 

রুমেল খান-মাহমুদুন্নবী চঞ্চল

সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ-মোহাম্মদ জুবায়ের

 

ক্যারম একক

 

আরিফ সোহেল

সনৎ বাবলা

 

ক্যারম দ্বৈত

 

এসবি চৌধুরী শিশির-মজিবুর রহমান

মাসুদ আলম-রফিকুল ইসলাম

 

আরচারি

 

অলক হাসান

মাহমুদুন্নবী চঞ্চল

 

দাবা

আশরাফুর রহমান মুরাদ

আরিফ সোহেল

 

 

 

শুরু হলো ডিবিএল-বিএসপিএ ক্রীড়া উৎসব

বছরঘুরে আবারো শুরু হলো ডিবিএল-বিএসপিএ ক্রীড়া উৎসব। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) কার্যালয়ে সপ্তাহব্যপি কার্ণিভালের উদ্বোধন করেন সংগঠনের সভাপতি মোস্তফা মামুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান রাজিব, ক্রীড়া উপ কমিটির চেয়ারম্যান এস বি চৌধুরী শিশির, সম্পাদক মাহবুব সরকার। ডিবিএল গ্রুপ এবারো স্পোর্টস কার্ণিভালের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

ব্যাডমিন্টন (একক ও দ্বৈত), টেবিল টেনিস (একক ও দ্বৈত), ক্যারম (একক ও দ্বৈত), দাবা, শ্যূটিং ও আর্চ্যারি এই ছয়টি ডিসিপ্লিনে হবে এবারে ক্রীড়া উৎসব। যেখানে ইতোমধ্যে শতাধিক সদস্য নাম অন্তর্ভূক্তি করেছেন। ১৭ নভেম্বর শেষ হবে এবারের স্পোর্টস কার্ণিভাল। প্রত্যেক ইভেন্টের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপদের পুরস্কৃত করার পাশাপাশি, সব ডিসিপ্লিনের পারফরম্যান্সের বিবেচনায় সেরা ক্রীড়াবিদকে পুরষ্কৃত করা হবে স্পোর্টসম্যান অব বিএসপিএ হিসেবে।

প্রথম দিন ক্যারম দ্বৈতের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার থেকে ক্যারম এককের খেলা শুরু হবে।

 

এশিয়া কাপ হকির সেরা বাংলাদেশী খেলোয়াড় ফরহাদ সিটুল

এশিয়া কাপ হকি ২০১৭’র সেরা বাংলাদেশী খেলোয়াড় হয়েছেন ফরহাদ আহমেদ সিটুল। বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) এই পুরষ্কার দিয়েছে। রোববার টুর্নামেন্টের ফাইনালের দিন বাংলাদেশ খেলোয়াড়ের হাতে ট্রফি তুলে দেন বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান হকি ফেডারেশনের (এএইচএফ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তৈয়ব ইকরাম।

টুর্নামেন্টে স্বাগতিক বাংলাদেশ ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত করেছে। ক্রীড়া সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম (জাগো নিউজ টোয়েন্টি ফোর ডট কম), সনৎ বাবলা (দৈনিক কালের কন্ঠ), মাসুদ আলম (দৈনিক প্রথম আলো), মাহবুব সরকার (দৈনিক বণিক বার্তা), হকি কোচ কাওসার আলী ও জামাল হায়দারের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড সেরা খেলোয়াড় বেছে নেয়।
দীর্ঘ ৩২ বছর পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এশিয়া কাপ। আর এই ক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখতে বিএসপিএ শুরু থেকেই উদ্যোগী ছিল। তারই অংশ হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে হকি স্টারস: ১৯৮৫ ও ২০১৭ শীর্ষক একটি ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।
তারিখ: ২২.১০.২০১৭

এশিয়া কাপের দলকে সাবেকদের শুভকামনা

সাংগঠনিক দুর্বলতা ও প্রস্তুতির ঘাটতি ভুলে সবাইকে এক হয়ে দশম এশিয়া কাপে দেশের সম্মানের জন্য, বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার জন্য লড়াই করার আহবান জানিয়েছেন সাবেক খেলোয়াড়রা। বর্তমান দলের খেলোয়াড়দের হাতে অটোগ্রাফ দেয়া হকি স্টিক তুলে দেন ৮৫’র এশিয়া কাপের দলের সদস্যরা। বর্তমান দলও সেই প্রেরণা থেকে নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করার অঙ্গীকার করেছে।

শনিবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) অডিটোরিয়ামে, বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)-এর আয়োজনে হকি স্টারস: ১৯৮৫ ও ২০১৭ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ১৯৮৫’র এশিয়া কাপের দলকে সম্মাননা জানানো হয়। একই অনুষ্ঠানে তাদের হাত ধরে শুভকামনা জানানো হয় এবারের এশিয়া কাপে অংশগ্রহনকারী দলটিকে।

৮৫’র এশিয়া কাপ দলের অধিনায়ক শাহাবুদ্দিন চাকলাদার, ওসমান গনি, আলমগীর চুন্নু, কামরুল ইসলাম কিসমত, খাজা ড্যানিয়েল, জামিল পারভেজ লুলু, আব্দুল্লাহ পিরু উপস্থিত ছিলেন। দলের বাকি সদস্যদের অনেকে বিদেশে আছেন, অনেকে মারা গেছেন বা অসুস্থ। ঐ টুর্নামেন্টের সহকারী টেকনিক্যাল ডিরেক্টর শামসুল বারী, আম্পায়ার সেকান্দার হায়াত চৌধুরীকেও সম্মাননা জানানো হয়।

ছিলেন হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাদেক, সহসভাপতি খাজা রহমতউল্লাহ, সাবেক খেলোয়াড় প্রতাপ শঙ্কর হাজরা, এহতেশাম সুলতান, সাজেদ আদেল, তারিকুজ্জামান নান্নু। বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) সভাপতি মোস্তফা মামুন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বর্তমান দলের পক্ষে অধিনায়ক রাসেল মাহমুদ জিমি ও কোচ মাহবুব হারুন দেশবাসীর প্রত্যাশা মাথায় নিয়ে ভাল খেলার প্রতিশ্রুতি দেন।

 

ক্রীড়ালেখক সমিতির সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের ইন্তেকাল

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম আর নেই। আজ সকালে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪১ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। বছর খানেক আগে গল ব্লাডার অপারেশনের সময় তার শরীরে ক্যান্সারের জীবানু ধরা পড়ে। এরপর থেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করায় তাকে ধানমন্ডি পপুলার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় তিনি মারা যান।

মারা যাবার আগে জাহাঙ্গীর আলম ঢাকা ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকিং পেশায় যোগ দেবার আগে তিনি দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করতেন। পেশা বদলের পরও লেখালেখি অব্যাহত ছিল তার। ক্রীড়াজগৎ পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন। এছাড়াও খেলা ও সাহিত্য বিষয়ক বেশ কয়েকটি বই আছে তার।

বাদ মাগবির দক্ষিণ মুগদা মাদ্রাসা মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে মুগদা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

তার অকাল মৃত্যুতে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন গভীর শোক প্রকাশ করছে। জাহাঙ্গীর আলমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছে বিএসপিএ।

 

 

ম্যাক্স-বিএসপিএ নাইট : বর্ষসেরা ক্রীড়া সাংবাদিক রিয়াসাদ আজিম

জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ম্যাক্স-বিএসপিএ নাইট। দেশের প্রবীন ক্রীড়ালেখক ও সাংবাদিকদের সম্মাননা জানানো ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের বছরের সেরা কাজের স্বীকৃতি জানানোর দ্বিতীয় আসর বসেছিল শনিবার সন্ধ্যায়। ফারস হোটেলের সিন্দুরপুর হলে নবীন-প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক-লেখকদের স্বীকৃতির রাতে ছিলেন ক্রীড়াঙ্গনের চেনা মুখ সাবেক-বর্তমান খেলোয়াড়, সংগঠক, কর্মকর্তারা।

এবার পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ক্রীড়া সাংবাদিকদের পুরষ্কৃত করা হয়। ২০১৬ সালে তাদের কাজের পুরস্কার দেয়া হয়। সাক্ষাৎকার ক্যাটাগরিতে আতাউল হক মল্লিক ট্রফি জিতেছেন নোমান মোহাম্মদ। রানারআপ হয়েছেন সঞ্জয় সাহা পিয়াল ও মাসুদ আলম। সেরা সিরিজ রিপোর্টের জন্য আব্দুল হামিদ ট্রফি পেয়েছেন মাসুদ আলম । রানারআপ হয়েছেন বদিউজ্জামান ও রাহেনুর ইসলাম। এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট তৈরি করে বদি-উজ-জামান ট্রফি জিতে নিয়েছেন রিয়াসাদ আজিম। রানারআপ হয়েছেন ফয়সাল তিতুমীর ও রাশেদুল ইসলাম। সেরা ফিচার/ডকুমেন্টারি ক্যাটাগরিতে রণজিৎ বিশ্বাস ট্রফি পেয়েছেন ইভান আকরাম। রানারআপ হয়েছেন এস এম আশরাফ ও ফয়সাল তিতুমীর।
চার ক্যাটাগরির পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বর্ষসেরা ক্রীড়া সাংবাদিকের পুরষ্কার তওফিজ আজিজ খান ট্রফি পেয়েছেন রিয়াসাদ আজিম। ট্রফি ছাড়াও তিনি পেয়েছেন পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রাইজমানি। রানারআপ হয়েছেন নোমান মোহাম্মদ ও মাসুদ আলম। তারাও ট্রফি ও পঁচিশ হাজার টাকা করে প্রাইজমানি জিতে নিয়েছেন।

একই অনুষ্ঠানে সিনিয়র তিন ক্রীড়ালেখক ওবায়দুল হক খান, এসবি চৌধুরী শিশির ও তোহাবিন হককে সম্মাননা জানিয়েছে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে এমন সম্মাননা জানিয়ে আসছে সংস্থাটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি জনাব নাজমুল হাসান পাপন এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার জনাব গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর।

জনপ্রিয় কন্ঠ শিল্পী অ্যান্ড্রু কিশোরের সুরে মূচ্ছর্ণায় শেষ হয় অনেকদিন মনে রাখার মত একটি রাতের।

কল্যাণ তহবিলের চতুর্দশ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি কল্যাণ তহবিলের বার্ষিক সাধারণ সভা শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের তিন তলার সভাকক্ষে চতুর্দশ সাধারণ সভায়সভাপতিত্ব করেন কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান সেলিম নজরুল হক। সচিবের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন দেওয়ান আফসার আহমেদ। কোষাধ্যক্ষের রিপোর্ট পেশ করেন রফিকুল ইসলাম মিঞা।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুন ও সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান।

আবাসন প্রকল্পের সম্ভাব্যতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সাবেক সভাপতি হাসানউল্লাহ খান রানা। এরপর সবার মতামতের ভিত্তিতে,সর্বসম্মতিক্রমে আবাসনের জন্য জায়গা কেনার উদ্যোগ নেয়ার ব্যপারে সিদ্ধান্ত হয়। কেরানীগঞ্জে জায়গা কেনার উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয় নির্বাহি কমিটিকে।

একই আয়োজনে কেক কেটে কল্যাণ তহবিলের চতুর্দশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

 

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস উদযাপিত

আজ ২ জুলাই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এই দিবসটি উদযাপিত হয়। আন্তর্জা তিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থার (এআইপিএস) অনুমোদিত সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি বিএসপিএ তার কার্যালয়ে কেক কাটার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে। বিএসপিএ-এর সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান রাজিবের নেতৃত্বে সমিতির প্রবীণ ও নবীন সদস্যদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। উল্লেখ্য, বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে একযোগে উদযাপিত হয় দিবসটি।
 
অনুষ্ঠানে সমিতির সদ্যদের মধ্যে সমিতির সহ-সভাপতি কাজী শহীদুল আলম, অর্থ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ, অফিস সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সাইমুম, নির্বাহী কমিটির রফিকুল ইসলাম মিঞা, খায়রুল ইসলাম শাহীন, পারভিন নাছিমা নাহার পুতুল, রাকীবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ সোহেল, সিনিয়র সদস্য সেলিম নজরুল হক, ইউসুফ আলী, সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ, মোফাফখারুল ইসলাম দিলখোশ, নীলা হাসান, মাসুদ আলম, কামরুজ্জামান হিরু,  আরাফাত দাড়িয়া, মোয়াজ্জেম হোসেন রোকন, তানজিম আহমেদ, ইয়াহিয়া মুন্না,  শাহজাহান কবীর, সজল মিত্র রিচার্ড, রায়হান উদ্দিন রাসেলসহ অনেকে।
 
উল্লেখ্য, ১৯২৪ সালের ২ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সং¯ ’ ার (এআইপিএস) আত্মপ্রকাশ ঘটে। ওই দিনটিকেই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।
 

অভিজ্ঞতায় তুর্কমেনিস্তান… পর্ব-০১

মোহাম্মদ রায়হান উদ্দিন রাসেল : আগামী ১৭ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশগাবাদে বসতে যাচ্ছে পঞ্চম এশিয়ান ইনডো গেমস ও মার্শাল আর্ট-২০১৭। এ গেমসের বেশ কয়েকটি ইভেন্টে অংশ নেবে বাংলাদেশ। এর আগে দেশ, গেমসের ভেন্যু কতটা প্রস্তুত তা সারা বিশ্বকে জানাতে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানায় তুর্কমেনিস্তান সরকার। যার নাম দেয়া হয়েছিলো ওয়ার্ল্ড প্রেস মিডিয়া ফোরাম। একই সঙ্গে একশ দিনের কাউন্ট ডাউন’র অনুষ্ঠানও করা হয়।
অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস-এআইপিএস’র অন্তর্ভুক্ত সদস্য প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই সুযোগ পায় বাংলাদেশ। ক্রীড়া লেখক সমিতি’র সদস্য হিসেবে ৬ জুন দিবাগত রাতে ফ্লাই দুবাই যোগে রওণা হই আমি ও দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র স্পোর্টস রির্পোটার বদিউজ্জামান মিলন।
কয়েক দিনের প্রস্তুতিতে মনের মাঝে অজানাকে জানার নতুন এক আকাঙ্খা তৈরি হয়। নতুন একটি দেশ ভ্রমণ এবং ঐ দেশের জাতি, জাতীয়তাবোধ এবং সংস্কৃতি নিজ চোখে দেখার অজানা আগ্রহ ভর করে ছিলো নিজের স্বত্তায়।
আগে থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা ছিলো আমার জ্ঞান গর্বে। তুর্কমেনিস্তান, মধ্য এশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এর আয়তন প্রায় ৪ লক্ষ ৮৮ বর্গ কিলোমিটার বা ১৮৮ বর্গমাইল। সহজ অর্থে বলা যায়, বাংলাদেশের প্রায় চারগুন। সবশেষ ২০০৬ সালে হিসেব অনুযায়ী দেশটি জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি এগার লাখের কিছু বেশি।
এর উত্তরে কাজাকিস্তান ও উজবেকিস্তান, পূর্বে উজবেকিস্তান ও আফগানিস্তান। দক্ষিণে আফগানিস্তান ও ইরান এবং কাস্পিয়ান সাগর। এই দেশটির হলো ভৌগলিক অবস্থান। এখানকার অধিকাংশ এলাকা সমতল ও বালুময় মরুভুমি। দক্ষিণে ইরানের সাথে সীমান্তে রয়েছে পর্বতমালা।
রাজধানী আশগাবাদ ও দেশটির অন্যতম বৃহত্তম শহর। অধিকাংশ ইমারত মার্বেল পাথরের তৈরি হওয়ায় একে বলা হয় “দ্য সিটি অব মার্বেল”। তুর্কমেনিস্তানের সরকারি ভাষা তুর্কমেন ও রুশ। প্রায় ৮০% জনগণ তুর্কমেন ভাষাতে কথা বলে। রুশ ভাষাতে কথা বলে প্রায় ৮% মানুষ। এছাড়া এখানে প্রচলিত অন্যান্য ভাষার মধ্যে আছে বেলুচি ও উজবেক।

পুর্বে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিলো। তখন এর নাম ছিলো তুর্কমেন সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। আর ১৯৯২ সালে দেশটিতে চালু হয় নতুন সংবিধান।
বর্তমানে তুর্কমেনিস্তানে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান। কিন্তু সম্প্রতি দেশটি বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যাগ নেয়া হয়েছে। জেনে আমার মতোই অবাক হবেন, তুর্কমেনিস্তান পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে ১৯৯১ সাল থেকে জনগন সরকারের কাছ থেকে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সেবা বিনামূল্যে পাচ্ছে।
এমন মজার সব তথ্য ভাবতে ভাবতে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বিমান ভ্রমণ শেষে অবশেষে আমরা পৌছালাম দুবাই এয়ারপোর্টে। প্রথমবারের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশাল এই বিমানবন্দরে পা রেখে রীতিমত হতভম্ব আমি। স্থানীয় সময় রাত একটায় লাখো মানুষের পদচারনায় মুখর পৃথিবীর অন্যতম বড় এবং ব্যস্ততম এয়ারপোর্ট।
১২ ঘণ্টার ট্রানজিট শেষে অবশেষে আমরা উঠলাম আশগাবাদের বিমানে। ফ্লাইটে স্থানীয় আধিবাসি ছাড়াও ছিলো আমাদের মতো মিডিয়া ফোরামে যোগ দিতে আসা বিভিন্ন দেশের ৮২ জন সাংবাদিক।

২ ঘণ্টা ২০ মিনিটের ভ্রমণ শেখে আশগাবাদ বিমানবন্দরে নামার পর থেকে শুরু আমাদের মুগ্ধতার পালা। আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দরটি সকল আধুনিক সুযোগ সুবিধায় সয়ং সম্পুর্ন। প্রতিটি পদক্ষপে দেখতে পেলাম ইনডোর এশিয়ান গেমস আয়োজনের প্রমাণ চিত্র।
আয়োজকদের সহযোগীতায় ইমিগ্রেশনের ঝামেলা শেষ করে বিলাস বহুল এসি বাসে করে শুরু হয় আমাদের আশগাবাদ যাত্রা। প্রতি মুহুর্তে মুগ্ধতার ছোঁয়া। বাইরে থেকে বিমানবন্দরটিকে দেখে মনে হচ্ছেছিলো দুই পাখা মেলে এখনোই উড়াল দেবে ঈগল। সামনে যে আরো মুগ্ধতা অপেক্ষা করছে তা বুঝতে বাকি থাকে না।

বিমানবন্দর থেকে হোটেল ১৫ থেকে ২০ মিনিটের পথ। পথের দুই পাশে মার্বেল পাথরে উঁচু উঁচু ভবনগুলো দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে। প্রতিটি ভবনের উপরে একটি ছোট মিনার। তার উপরে তুর্কমেনিস্তানের জাতীয় পতাকা জানান দিচ্ছে নিজের স্বাধীনতার। এ দেখে বুঝতে বাকি রইলো না আগামী সাতটা দিন কাটবে এমন নতুন নতুন চমকে।
পাঁচ তারকা হোটেল রুমে খানিক বিশ্রামের পর ইফতারের জন্য চলে যাই ডাইনিংয়ে। ইফতার ও ডিনার শেষে রাতের আশাগাবাদ দেখার নেশায় পা বাড়াই ডাইনিংয়ের বিশাল করিডোরে। এরপর অবাক, মুগ্ধতা ও অদ্ভুত ভালো লাগার মিশ্রন এক অনুভুতি ভর করে আমার ক্লান্ত শরীর ও মনে। সাথে সাথে নিজের মনের ভাবনায় খেলে যায় আগামী সাতটা দিন হতে যাচ্ছো আমার জীবনের সেরা সাতদিন।
চলবে…

লেখক : মোহাম্মদ রায়হান উদ্দিন রাসেল
স্টাফ রির্পোটার (স্পোর্টস)
এসএটিভি
Mail: [email protected]

স্মরণে ক্রীড়াপ্রেমী মোহাম্মদ সেলিম

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির (বিএসপিএ) প্রবীণ সদস্য ও সাবেক সরকারী আমলা মোহাম্মদ সেলিমকে স্মরণ করলেন তার সতীর্থ, বন্ধু ও অনুজরা। বুধবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অবস্থিত মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটি অফিসে স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি জনাব মোস্তফা মামুন। বক্তব্য রাখেন প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক কামরুজ্জামান, ইকরামউজ্জমান, বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল তৌহিদ, দুলাল মাহমুদ ও হাসানউল্লাহ খান রানা। এছাড়াও তার সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন কবি সানাউল হক খান, বিমান ভট্টাচার্য, শেখ সাইফুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জনাম সাইদুর রহমান শামীম।

সবার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে তার ক্রীড়াপ্রেম, সমিতির প্রতি অনুরাগ, সততা ও নীতিনিষ্ঠার কথা। বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ সেলিম গত ৬ এপ্রিল মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন।
তার স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ও তার রুহের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া করা হয়।

তারিখ: ২৬-০৪-২০১৭

মোহাম্মদ সেলিম-এর স্মরণ সভায় আমন্ত্রণ

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ সেলিম গত ৬ এপ্রিল মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন। সমিতির প্রতি তার অনুরাগ ও ভালো কাজের প্রতি প্রশংসনীয় মনোভাব, সবসময় আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

তাঁর স্মরণে আগামী বুধবার ২৬ এপ্রিল ২০১৭ স্মরণ সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের দোতলায় অবস্থিত মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটি কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্মরণসভাটি অনুষ্ঠিত হবে। এই আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন ক্রীড়ালেখক, ক্রীড়া সাংবাদিক, তাঁর বন্ধু, সতীর্থ, অগ্রজ, অনুজ এবং পরিবারের সদস্যরা।

অনুষ্ঠান: স্মরণ সভা: মোহাম্মদ সেলিম
তারিখ: ২৬ এপ্রিল, বুধবার
সময়: দুপুর ২:৩০ মিনিট
স্থান: মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটি, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম (দোতলা)

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন রিপোর্টার, ক্যামেরাপার্সন/ফটোগ্রাফারকে পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।