কল্যাণ তহবিলের চতুর্দশ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি কল্যাণ তহবিলের বার্ষিক সাধারণ সভা শনিবার অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের তিন তলার সভাকক্ষে চতুর্দশ সাধারণ সভায়সভাপতিত্ব করেন কল্যাণ তহবিলের চেয়ারম্যান সেলিম নজরুল হক। সচিবের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন দেওয়ান আফসার আহমেদ। কোষাধ্যক্ষের রিপোর্ট পেশ করেন রফিকুল ইসলাম মিঞা।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুন ও সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান।

আবাসন প্রকল্পের সম্ভাব্যতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সাবেক সভাপতি হাসানউল্লাহ খান রানা। এরপর সবার মতামতের ভিত্তিতে,সর্বসম্মতিক্রমে আবাসনের জন্য জায়গা কেনার উদ্যোগ নেয়ার ব্যপারে সিদ্ধান্ত হয়। কেরানীগঞ্জে জায়গা কেনার উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয় নির্বাহি কমিটিকে।

একই আয়োজনে কেক কেটে কল্যাণ তহবিলের চতুর্দশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

 

Read More...

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস উদযাপিত

আজ ২ জুলাই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এই দিবসটি উদযাপিত হয়। আন্তর্জা তিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থার (এআইপিএস) অনুমোদিত সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি বিএসপিএ তার কার্যালয়ে কেক কাটার মাধ্যমে দিবসটি পালন করে। বিএসপিএ-এর সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান রাজিবের নেতৃত্বে সমিতির প্রবীণ ও নবীন সদস্যদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। উল্লেখ্য, বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে একযোগে উদযাপিত হয় দিবসটি।
 
অনুষ্ঠানে সমিতির সদ্যদের মধ্যে সমিতির সহ-সভাপতি কাজী শহীদুল আলম, অর্থ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ, অফিস সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সাইমুম, নির্বাহী কমিটির রফিকুল ইসলাম মিঞা, খায়রুল ইসলাম শাহীন, পারভিন নাছিমা নাহার পুতুল, রাকীবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ সোহেল, সিনিয়র সদস্য সেলিম নজরুল হক, ইউসুফ আলী, সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ, মোফাফখারুল ইসলাম দিলখোশ, নীলা হাসান, মাসুদ আলম, কামরুজ্জামান হিরু,  আরাফাত দাড়িয়া, মোয়াজ্জেম হোসেন রোকন, তানজিম আহমেদ, ইয়াহিয়া মুন্না,  শাহজাহান কবীর, সজল মিত্র রিচার্ড, রায়হান উদ্দিন রাসেলসহ অনেকে।
 
উল্লেখ্য, ১৯২৪ সালের ২ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সং¯ ’ ার (এআইপিএস) আত্মপ্রকাশ ঘটে। ওই দিনটিকেই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।
 

অভিজ্ঞতায় তুর্কমেনিস্তান… পর্ব-০১

মোহাম্মদ রায়হান উদ্দিন রাসেল : আগামী ১৭ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশগাবাদে বসতে যাচ্ছে পঞ্চম এশিয়ান ইনডো গেমস ও মার্শাল আর্ট-২০১৭। এ গেমসের বেশ কয়েকটি ইভেন্টে অংশ নেবে বাংলাদেশ। এর আগে দেশ, গেমসের ভেন্যু কতটা প্রস্তুত তা সারা বিশ্বকে জানাতে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানায় তুর্কমেনিস্তান সরকার। যার নাম দেয়া হয়েছিলো ওয়ার্ল্ড প্রেস মিডিয়া ফোরাম। একই সঙ্গে একশ দিনের কাউন্ট ডাউন’র অনুষ্ঠানও করা হয়।
অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস-এআইপিএস’র অন্তর্ভুক্ত সদস্য প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এই সুযোগ পায় বাংলাদেশ। ক্রীড়া লেখক সমিতি’র সদস্য হিসেবে ৬ জুন দিবাগত রাতে ফ্লাই দুবাই যোগে রওণা হই আমি ও দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র স্পোর্টস রির্পোটার বদিউজ্জামান মিলন।
কয়েক দিনের প্রস্তুতিতে মনের মাঝে অজানাকে জানার নতুন এক আকাঙ্খা তৈরি হয়। নতুন একটি দেশ ভ্রমণ এবং ঐ দেশের জাতি, জাতীয়তাবোধ এবং সংস্কৃতি নিজ চোখে দেখার অজানা আগ্রহ ভর করে ছিলো নিজের স্বত্তায়।
আগে থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা ছিলো আমার জ্ঞান গর্বে। তুর্কমেনিস্তান, মধ্য এশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এর আয়তন প্রায় ৪ লক্ষ ৮৮ বর্গ কিলোমিটার বা ১৮৮ বর্গমাইল। সহজ অর্থে বলা যায়, বাংলাদেশের প্রায় চারগুন। সবশেষ ২০০৬ সালে হিসেব অনুযায়ী দেশটি জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি এগার লাখের কিছু বেশি।
এর উত্তরে কাজাকিস্তান ও উজবেকিস্তান, পূর্বে উজবেকিস্তান ও আফগানিস্তান। দক্ষিণে আফগানিস্তান ও ইরান এবং কাস্পিয়ান সাগর। এই দেশটির হলো ভৌগলিক অবস্থান। এখানকার অধিকাংশ এলাকা সমতল ও বালুময় মরুভুমি। দক্ষিণে ইরানের সাথে সীমান্তে রয়েছে পর্বতমালা।
রাজধানী আশগাবাদ ও দেশটির অন্যতম বৃহত্তম শহর। অধিকাংশ ইমারত মার্বেল পাথরের তৈরি হওয়ায় একে বলা হয় “দ্য সিটি অব মার্বেল”। তুর্কমেনিস্তানের সরকারি ভাষা তুর্কমেন ও রুশ। প্রায় ৮০% জনগণ তুর্কমেন ভাষাতে কথা বলে। রুশ ভাষাতে কথা বলে প্রায় ৮% মানুষ। এছাড়া এখানে প্রচলিত অন্যান্য ভাষার মধ্যে আছে বেলুচি ও উজবেক।

পুর্বে দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিলো। তখন এর নাম ছিলো তুর্কমেন সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। আর ১৯৯২ সালে দেশটিতে চালু হয় নতুন সংবিধান।
বর্তমানে তুর্কমেনিস্তানে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান। কিন্তু সম্প্রতি দেশটি বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যাগ নেয়া হয়েছে। জেনে আমার মতোই অবাক হবেন, তুর্কমেনিস্তান পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখানে ১৯৯১ সাল থেকে জনগন সরকারের কাছ থেকে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সেবা বিনামূল্যে পাচ্ছে।
এমন মজার সব তথ্য ভাবতে ভাবতে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার বিমান ভ্রমণ শেষে অবশেষে আমরা পৌছালাম দুবাই এয়ারপোর্টে। প্রথমবারের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশাল এই বিমানবন্দরে পা রেখে রীতিমত হতভম্ব আমি। স্থানীয় সময় রাত একটায় লাখো মানুষের পদচারনায় মুখর পৃথিবীর অন্যতম বড় এবং ব্যস্ততম এয়ারপোর্ট।
১২ ঘণ্টার ট্রানজিট শেষে অবশেষে আমরা উঠলাম আশগাবাদের বিমানে। ফ্লাইটে স্থানীয় আধিবাসি ছাড়াও ছিলো আমাদের মতো মিডিয়া ফোরামে যোগ দিতে আসা বিভিন্ন দেশের ৮২ জন সাংবাদিক।

২ ঘণ্টা ২০ মিনিটের ভ্রমণ শেখে আশগাবাদ বিমানবন্দরে নামার পর থেকে শুরু আমাদের মুগ্ধতার পালা। আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দরটি সকল আধুনিক সুযোগ সুবিধায় সয়ং সম্পুর্ন। প্রতিটি পদক্ষপে দেখতে পেলাম ইনডোর এশিয়ান গেমস আয়োজনের প্রমাণ চিত্র।
আয়োজকদের সহযোগীতায় ইমিগ্রেশনের ঝামেলা শেষ করে বিলাস বহুল এসি বাসে করে শুরু হয় আমাদের আশগাবাদ যাত্রা। প্রতি মুহুর্তে মুগ্ধতার ছোঁয়া। বাইরে থেকে বিমানবন্দরটিকে দেখে মনে হচ্ছেছিলো দুই পাখা মেলে এখনোই উড়াল দেবে ঈগল। সামনে যে আরো মুগ্ধতা অপেক্ষা করছে তা বুঝতে বাকি থাকে না।

বিমানবন্দর থেকে হোটেল ১৫ থেকে ২০ মিনিটের পথ। পথের দুই পাশে মার্বেল পাথরে উঁচু উঁচু ভবনগুলো দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্যের স্বাক্ষী হয়ে। প্রতিটি ভবনের উপরে একটি ছোট মিনার। তার উপরে তুর্কমেনিস্তানের জাতীয় পতাকা জানান দিচ্ছে নিজের স্বাধীনতার। এ দেখে বুঝতে বাকি রইলো না আগামী সাতটা দিন কাটবে এমন নতুন নতুন চমকে।
পাঁচ তারকা হোটেল রুমে খানিক বিশ্রামের পর ইফতারের জন্য চলে যাই ডাইনিংয়ে। ইফতার ও ডিনার শেষে রাতের আশাগাবাদ দেখার নেশায় পা বাড়াই ডাইনিংয়ের বিশাল করিডোরে। এরপর অবাক, মুগ্ধতা ও অদ্ভুত ভালো লাগার মিশ্রন এক অনুভুতি ভর করে আমার ক্লান্ত শরীর ও মনে। সাথে সাথে নিজের মনের ভাবনায় খেলে যায় আগামী সাতটা দিন হতে যাচ্ছো আমার জীবনের সেরা সাতদিন।
চলবে…

লেখক : মোহাম্মদ রায়হান উদ্দিন রাসেল
স্টাফ রির্পোটার (স্পোর্টস)
এসএটিভি
Mail: rayhanrasel@gmail.com

স্মরণে ক্রীড়াপ্রেমী মোহাম্মদ সেলিম

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির (বিএসপিএ) প্রবীণ সদস্য ও সাবেক সরকারী আমলা মোহাম্মদ সেলিমকে স্মরণ করলেন তার সতীর্থ, বন্ধু ও অনুজরা। বুধবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে অবস্থিত মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটি অফিসে স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি জনাব মোস্তফা মামুন। বক্তব্য রাখেন প্রবীন ক্রীড়া সাংবাদিক কামরুজ্জামান, ইকরামউজ্জমান, বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল তৌহিদ, দুলাল মাহমুদ ও হাসানউল্লাহ খান রানা। এছাড়াও তার সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেন কবি সানাউল হক খান, বিমান ভট্টাচার্য, শেখ সাইফুর রহমান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জনাম সাইদুর রহমান শামীম।

সবার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে তার ক্রীড়াপ্রেম, সমিতির প্রতি অনুরাগ, সততা ও নীতিনিষ্ঠার কথা। বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ সেলিম গত ৬ এপ্রিল মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন।
তার স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ও তার রুহের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া করা হয়।

তারিখ: ২৬-০৪-২০১৭

মোহাম্মদ সেলিম-এর স্মরণ সভায় আমন্ত্রণ

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ সেলিম গত ৬ এপ্রিল মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন। সমিতির প্রতি তার অনুরাগ ও ভালো কাজের প্রতি প্রশংসনীয় মনোভাব, সবসময় আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

তাঁর স্মরণে আগামী বুধবার ২৬ এপ্রিল ২০১৭ স্মরণ সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের দোতলায় অবস্থিত মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটি কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্মরণসভাটি অনুষ্ঠিত হবে। এই আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন ক্রীড়ালেখক, ক্রীড়া সাংবাদিক, তাঁর বন্ধু, সতীর্থ, অগ্রজ, অনুজ এবং পরিবারের সদস্যরা।

অনুষ্ঠান: স্মরণ সভা: মোহাম্মদ সেলিম
তারিখ: ২৬ এপ্রিল, বুধবার
সময়: দুপুর ২:৩০ মিনিট
স্থান: মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটি, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম (দোতলা)

উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন রিপোর্টার, ক্যামেরাপার্সন/ফটোগ্রাফারকে পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ সেলিম মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সিনিয়র সদস্য এবং বর্ষীয়ান ক্রীড়ালেখক মোহাম্মদ সেলিম আর নেই। আজ (বৃহস্পতিবার) আনুমানিক দুপুর ১২ টায় দিকে উত্তরার আজমপুর বাসস্ট্যান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
কর্মজীবনে মোহাম্মদ সেলিম পোস্টাল একাডেমির অধ্যক্ষসহ উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন পদে চাকরি করেছেন। তিনি দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক বাংলা, দৈনিক মানব জমিন, দৈনিক খবর, মাসিক মোহামেডান ও পাক্ষিক ক্রীড়া জগত পত্রিকায় ক্রীড়া বিষয়ক লেখালেখি করেছেন। বাংলাদেশ ক্রীড়ালেক সমিতি ২০১৩ সালে বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে মোহাম্মদ সেলিমকে সংবর্ধনা প্রদান করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টর মসজিদে বাদ আসর নামাজে জানাজা শেষে আজ বিকেলে বনানী কবরাস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান রাজিবসহ কার্যনির্বাহী কমিটি এবং সকল সদস্য গভীর শোক ও মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
তারিখ : ৬ এপ্রিল, ২০১৭

The Game and Beyond…

By Samiur Rahman, YSR from Bangladesh.

The famous quote of Liverpool legend Bill Shankley about Football- “the game is much more than life and death”-has become cliché now a days. But in Hong Kong’s annual rugby extravaganza HK SEVENS certainly fits that billing. It’s not just like any other sporting tournament that is happening around the corner. It's more like the annual fanfare, festival of colors, joy, excitement and many more! It’s more than rugby, much, more than the game and certainly involves many, more than just the players and officials.

Rugby Seven is the short, quick, faster, more thrilling and exciting version of the game invented in the Rugby school of Warwick shire, England. It's fast paced, exciting and eye-catching. With the slogan of “Where The World Comes To Play” this year the Dynamic City Hong Kong is staging 42nd annual Cathay Pacific/HSBC Hong Kong Sevens, which presents a promising great electrifying ambiance inside the stadium – both on and off the field. And yes, the organizers are keeping up their words! HK7 is like the biggest party of Hong Kong, where people come to enjoy to the fullest. To the dwellers of perfumed harbor of the East, the HK7 is just not a sporting event, it’s a lifestyle! People of many nationalities make the South Stand of Hong Kong Stadium as the center stage of DRESS AS YOU LIKE IT.  Australians were found wearing their pride, the bright yellow and the Brits dressed up with Union Jack Theme. Some turned up wearing Chinese soldier’s military uniform, some came posing as members of SWAT. From classic video games character Mario to recent Hollywood release Wonder Woman, from Crocodile Hunter to Grizzly Beer, From Irish Green to Red Riding Hood people posing in as many costumes as you could imagine coming to the Hong Kong stadium for enjoying the games. Even though, it’s a hot summer weekend morning there is premium rush on the streets. Because, “the south stand” is the place where most of the Hong Kong people would want to be while HK7 is in the town! During my last one week stay in Hong Kong, I never faced traffic jam which is a common trait of Dhaka, but this trip to HK stadium located at Causeway Bay, nearly gave me a throwback and I clearly understand the reason!

The Hong Kong Stadium, located on the foothill of a high terrain, also holds the characteristics of the topography. A steep gallery, which climbs high, can house almost 40 thousand spectators though the area is not very wide like the cricket stadiums in Bangladesh. But inside, it is very well managed, equipped and organized. The security part is managed by professionals, who are very good at their works which make the lines moving in a good speed. The external areas outside gallerias are full with eateries, cooling corners and souvenir shops where the spectators can pass some joyful time when they are not watching the game.

Well, the entree and the dessert will be meaningless if the main-course is not good! Fortunately, the main course, which is the game here, is not just good, better. From the traditional super powers to new challengers, from seasoned campaigners to new kid on the block, HK7 has it all. The key attraction is obviously the Fiji team, Olympic champions of Rio 2016, where rugby sevens were included for the first time. Then there are the World Champions; ALL BLACKS from New Zealand. Gareth Bale might be the most coveted sportsperson in Wales, but their Rugby team languishes not too far. The Springboks from South Africa are also very famous in this sport and they are also running for the silverware. You can't expect a rugby tournament without England, the birthplace of the game! But like their very own football team, the English rugby team is also widely followed with high hopes but produce fewer results!

I watched three games which were completed in little less than an hour. Kenya was no match for New Zealand but the house clapped when they scored their first point to minimize the big deficit. The match between Fiji and Wales was very exciting and it produced a 17-17 draw in the end. With acrobatic displays of chasing and running by the sidelines was great to watch. But the most exciting part was the cunning dodge by the runners who skillfully go past the defenders to score for their team. Listening to the fast paced commentary by the broadcaster for a radio channel in Fiji was also a pleasure and at the same time it showed the popularity of the game in Polynesian islands.

The success story of Fiji can also inspire Bangladesh. Rugby is not a popular sport in Bangladesh, though the journey has started. Though rugby sevens is a game for elite athletes who are at the peak of their physical abilities because it takes a lot of running and sprinting with high intensity for 15 minutes, but the agility and maneuverability are also big parts of the game, where Bangladesh can look up with high hopes. Sri Lanka has a long history and fondness for rugby and they are also taking part in this HK7 tournament, though the results are not so much mention-worthy. But it showed the pathway.  The physical structures of Sri Lankans are pretty much same as Bangladesh; the weather is also pretty similar.  Who knows, with right direction, guidance and dedication one day Bangladesh could win it big in rugby too! Till then, hope for the best.

Photo Gallery

Glorious Moment

More Photos