বিএসপিএ সদস্যদের বই-এর প্রকাশনা উৎসব

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সদস্যদের ক্রীড়া বিষয়ক বইয়ের প্রকাশনা উৎসব হয়ে গেলো বুধবার। বইগুলো হলো উৎপল শুভ্র-এর কল্পলোকে ক্রিকেটের গল্প, নোমান মোহাম্মদ-এর পেলে থেকে মেসি ও শামসুজ্জামান শামস-এর মোস্তাফিজ-মিরাজ: বিস্ময়কর দুই ক্রিকেটার। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সভাকক্ষে শুরুতেই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইগুলো নিয়ে আলোচনা করেন ক্রিকেট বিশ্লেষক জালাল আহমেদ চৌধুরী, ক্রীড়া সাংবাদিক সনৎ বাবলা ও দাইদ হাসান মিলন।

কল্পলোকে ক্রিকেটের গল্প বইয়ে সাবেক ক্রিকেটারদের জীবনী তুলে ধরা হয়েছে গল্পের আকারে। যেখানে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটারদের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। উৎপল শুভ্র বইটিকে উপন্যাস বা জীবনী কোন বন্ধনে আবদ্ধ রাখতে চাননি।

পেলে থেকে মেসি বইয়ে বিশ্বের সেরা পনের ফুটবলারদের জীবনের গল্প ও তাদের ফুটবল ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে লেখক নোমান মোহাম্মদ সাবেক আর বর্তমান ফুটবলারদের জীবনের গল্পকে ফুটিয়ে তুলেছেন সুনিপুন হাতে।

মোস্তাফিজ-মিরাজ: বিস্ময়কর দুই ক্রিকেটার বইয়ে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে বাংলাদেশের ক্রিকেটে আগমন ঘটা দুই তারকার জীবনের নানা বিচ্ছিন্ন ঘটনা লেখা হয়েছে। যেখানে লেখক শামসুজ্জামান শামস শুধু মাঠের নয়, মাঠের বাইরে তাদের আকর্ষণীয় ঘটনাগুলোকে তুলে ধরেছেন।

ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুনের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল তৌহিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, নির্বাহি কমিটির সদস্য শেখ সাইফুর রহমান।

Read More...

কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডে তারার মেলা

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির বিবেচনায় ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান ও সাঁতারু মাহফুজা খাতুন শিলা যথাক্রমে ২০১৫ ও ২০১৬ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন। কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এ পুরষ্কার তুলে দেয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরষ্কার তুলে দেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত এমপি। উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা এআইপিএস এশিয়ার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ কাশিম ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। সভাপতিত্ব করেন বিএসপিএ সভাপতি মোস্তফা মামুন।

মাহমুদুল্লাহ ও সৌম্য সরকারকে টপকে ২০১৫ সালে সেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। সেরা ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ পুরষ্কার গ্রহন করেন ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের হাত থেকে। সেরা দাবাড়– ফাহাদ রহমানের পক্ষে তার ভাই পুরষ্কার গ্রহন করেন। এছাড়া সেরা আর্চার তামিমুল ইসলাম, উদীয়মান ক্রীড়াবিদ সারোয়ার জামান নিপু (ফুটবল), সেরা সংগঠক ইউসুফ আলী, বর্ষসেরা কোচ সৈয়দ গোলাম জিলানী (ফুটবল), বর্ষসেরা স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স গ্রুপের পক্ষে চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর উপস্থিত থেকে পুরষ্কার গ্রহন করেন। প্রয়াত আমিনুল হক মনির পক্ষে বিশেষ সম্মাননা নিয়েছেন তার ভাই মোজাম্মেল হক মুক্তা।

তামিম ইকবাল ও আশরাফুল ইসলামকে পেছনে ফেলে ২০১৬ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ মাহফুজা খাতুন শিলা। এছাড়া সেরা ক্রিকেটার তামিম ইকবাল, সেরা ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত, সেরা হকি খেলোয়াড় আশরাফুল ইসলাম, সেরা শ্যূটার শাকিল আহমেদ, সেরা ভলিবল খেলোয়াড় সাঈদ আল জাবির, উদীয়মান ক্রীড়াবিদ মেহেদী হাসান মিরাজ পুরষ্কার নিয়েছেন। উদীয়মান নারী ক্রীড়াবিদ কৃষ্ণা রানী সরকারের পক্ষে তার বাবা ও মা পুরষ্কার গ্রহন করেন। সেরা কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের পুরষ্কারটি নেন তার স্ত্রী। সেরা সংগঠক তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে পুরষ্কার তুলে দেয়া হ। সেরা সংস্থা বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর পক্ষে সহকারী নৌ বাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিারল এম শাহীন ইকবাল এনইউপি, এনডিসি, এফডব্লিউসি, পিএসসি।

দর্শক ভোটে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান।

এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বর্তমান-সাবেক খেলোয়াড়দের মিলনমেলা বসেছিল সোমবার। কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডকে ঘিরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোঁনারগাঁও হোটেলে তারার মেলা বসেছিল। ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা, ক্রিকেট বোর্ড পরিচালক ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন, সাবেক ফুটবলার ও ফুটবল ফেডারেশনের সিনিয়র সহ সভাপতি সালাম মুর্শেদী, সহ সভাপতি বাদল রায়, কায়সার হামিদ, দাবার গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান, নারীদের আন্তর্জাতিক মাস্টার রানী হামিদ, সাবেক হকি খেলোয়াড় রফিকুল ইসলাম কামাল সহ অনেক ক্রীড়াবিদ, সংগঠক, কোচ, আম্পায়ার, রেফারি উপস্থিত ছিলেন।

ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রয়াস

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি, সিলেট জেলা শাখার জন্ম ১৯৭৬ সালে। চল্লিশ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় অনেক কিছুই করেছে সমিতি। তবে কাল শনিবার ছিল সমিতির ইতিহাসে অন্যরকম এক আয়োজন। যে আয়োজন রঙ ছড়ায় পুরো সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনে। শুধু সমিতির ইতিহাস নয়, সিলেটের ক্রীড়া ইতিহাসেও প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার। সিলেট নগরীর একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সেমিনারে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের মিলনমেলা বসেছিল। সেই মিলনমেলায় মধ্যমণি হয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠ’র উপসম্পাদক মোস্তফা মামুন।

ক্রীড়ালেখক সমিতি, সিলেট শাখার সভাপতি বদরুদ্দোজা বদরের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তারা বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনে সিলেটের রয়েছে সুদীর্ঘ গৌরবময় ইতিহাস। আঞ্চলিকতা ছাড়িয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিলেটের ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা ছড়িয়েছেন আলো। কিন্তু সেই গৌরব হারিয়ে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গন এখন এলোমেলো। নানা সমস্যায়, টানাপোড়েনে ও সংকটে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গন পিছিয়ে পড়েছে অনেকটাই। এর সমাধান করে ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে হলে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রয়াস।’
তারা বলেন, ‘এখন সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। ব্যক্তিগত বিভেদ, দ্বন্ধ ভুলে সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করতে কাজ করতে হবে একসাথে।’

সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের সমস্যা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, ‘সিলেটে পর্যাপ্ত মাঠের অভাব রয়েছে। দক্ষ সংগঠকের অভাবও এখানে। এখানকার ক্রীড়াঙ্গনে বিরাজ করছে স্থবিরতা। উপজেলা পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে নেই তেমন কোন উদ্যোগ। জেলা ক্রীড়া সংস্থা চেষ্টা করলেও সেটা পর্যাপ্ত নয়। সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের অভিভাবক সংগঠন হিসেবে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে আরো গতিশীল ও তৎপর হতে হবে। বিবর্ণ বর্তমানকে পেছনে ফেলে সোনালী সাফল্যের রোদ্দুরে আলোকিত হতে হলে এখন থেকেই নিতে হবে কার্যকর ও সঠিক পদক্ষেপ।’

ক্রীড়ালেখক সমিতি, সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক আহবাব মোস্তফা খানের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির সহ-সভাপতি তালহা বিন নজরুল, কাজী শহীদুল আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য ইকরামউজ্জামান চৌধুরী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেমিনার আয়োজন কমিটির আহবায়ক ও সমিতির সিলেট শাখার সহ-সভাপতি মান্না চৌধুরী। সমিতির সিলেট শাখার সাবেক সভাপতি মানব চ্যাটার্জী স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আজিজ আহমদ সেলিম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস চৌধুরী রুহেল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দিন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ, ক্রীড়ালেখক সমিতি সিলেট শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ চৌধুরী খালেদ, সত্তর দশকের অ্যাথলেট মারিয়ান চৌধুরী মাম্মি, সিলেট সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি লিয়াকত আলী চেরাগ, সাবেক ফুটবলার মনোজ রায়, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার জয়দ্বীপ দাস সুজক, সিলেট বিভাগীয় ক্রিকেট কোচ একেএম মাহমুদ ইমন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারি মিনহাজুল ইসলাম জায়েদ, সিলেট জেলা ব্যাডমিন্টন কমিটির সম্পাদক লিয়াকত আলী ও সিলেট জেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোলাম জাকারিয়া শিপলু।

সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিনিয়র সাংবাদিক আল আজাদ, দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার সম্পাদক আজিজুল হক মানিক, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ্ দিদার আলম নবেল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মুফতী আবদুল খাবির, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য বিজিত চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমদ, সিলেট জেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার সভাপতি রুবেল আহমদ নান্নু, সাবেক কৃতি ফুটবলার ইমরুল কায়েস চৌধুরী, সেলিম বক্কর, জাহান-ই-আলম নুরী রাহেল, ধারাভাষ্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরান আহমদ প্রমুখ।

কুল বিএসপিএ পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড

ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার বিএসপিএ স্পোর্টস এওয়ার্ড। যা ১৯৬৪ সালে চালু হয়েছিল। গত অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে কয়েকশতাধিক ব্যক্তি, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান পেয়েছে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার। যা জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের আগে দেয়া শুরু হয়। গত বছরের মত এবারো স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্র্যান্ড কুল এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

আগামী ৩০ জানুয়ারি রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কোচ, সংগঠক, পৃষ্ঠপোষকদের মিলনমেলার এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। এবার ২০১৫ ও ২০১৬ সালের পুরস্কার দেয়া হবে। এবারই প্রথমবারের মত বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের নাম অনুষ্ঠানের দিন ঘোষণা করা হবে। তিনজন মনোনীতের নাম আজ ঘোষণা করা হচ্ছে। এছাড়াও অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করতে নানা আয়োজন ও চমক যুক্ত করা হচ্ছে।

ক্রীড়ালেখক সমিতির জুরি বোর্ডের বিবেচনায় সেরাদের পুরস্কৃৃত করার পাশাপাশি দর্শক ভোটে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড দেয়া হচ্ছে। যেখানে ছয়জনকে মনোনীত করা হয়েছে। আজ থেকে এই ভোটিং শুরু হয়েছে বিএসপিএ-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.bspa.com.bd-তে। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ পাবেন পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড। যা ঘোষণা ও তুলে দেয়া হবে কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে।

২০১৫ সালের পুরস্কারপ্রাপ্তরা

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (মনোনীত তিন)        মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ-সৌম্য সরকার-মোস্তাফিজুর রহমান (ক্রিকেট)

সেরা ক্রিকেটার                    মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
সেরা দাবাড়–                     মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান
সেরা আর্চার                    তামিমুল ইসলাম
উদীয়মান ক্রীড়াবিদ                সারোয়ার জামান নিপু (ফুটবল)
সেরা সংগঠক                    ইউসুফ আলী
বর্ষসেরা কোচ                    সৈয়দ গোলাম জিলানী (ফুটবল)
বর্ষসেরা স্পন্সর প্রতিষ্ঠান                ম্যাক্স গ্রুপ
বিশেষ সম্মাননা                    আমিনুল হক মনি

২০১৬ সালের পুরস্কারপ্রাপ্তরা

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (মনোনীত তিন)    মাহফুজা খাতুন শিলা (সাঁতার)-তামিম ইকবাল (ক্রিকেট)-আশরাফুল ইসলাম (হকি)

সেরা ক্রিকেটার                তামিম ইকবাল
সেরা ভারোত্তোলক            মাবিয়া আক্তার সীমান্ত
সেরা হকি খেলোয়াড়            আশরাফুল ইসলাম
সেরা শ্যূটার                শাকিল আহমেদ
সেরা ভলিবল খেরোয়াড়            সাঈদ আল জাবির
উদীয়মান ক্রীড়াবিদ            মেহেদী হাসান মিরাজ
উদীয়মান নারী ক্রীড়াবিদ            কৃষ্ণা রানী সরকার (ফুটবল)
সেরা কোচ                গোলাম রব্বানী ছোটন (ফুটবল)
সেরা সংগঠক                তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন
সেরা সংস্থা                বাংলাদেশ নৌ বাহিনী

পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড (মনোনীত ছয়)

১. তামিম ইকবাল        ক্রিকেট
২. মাহফুজা খাতুন শিলা        সাঁতার
৩. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ        ক্রিকেট

৪. মোস্তাফিজুর রহমান        ক্রিকেট
৫. মাবিয়া আক্তার সীমান্ত        ভারত্তোলন
৬. আশরাফুল ইসলাম        হকি

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির ২০১৬ সালের সাধারণ সভা ১৭ ডিসেম্বর শনিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোস্তফা মামুন। সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান উজ জামান। আর্থিক হিসাব উপস্থাপন করেন অর্থ সম্পাদক সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ। সাংগঠনিক সম্পাদক সামন আহমেদ তুলে ধরেন শাখা সমিতির অবস্থা। আলোচনা শেষে রিপোর্টসমূহ অনুমোদিত হয়।
সমিতির দেড় শতাধিক সদস্য বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শুরু হলো বিএসপিএ পপুলার চয়েজ পুরষ্কার

বছর ঘুরে ফিরে এলো কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড। আগামী বছরের শুরুতে জমকালো আয়োজনে তুলে দেয়া হবে ২০১৫ ও ২০১৬ সালের সেরাদের পুরষ্কার। ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই পুরস্কার দিয়ে আসছে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)। দেশের ক্রীড়াসাংবাদিক ও লেখখদের সবচেয়ে পুরনো সংগঠন বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। ১৯৬৪ সাল থেকে সেরা খেলোয়াড়-কর্মকর্তা-সংগঠক-পৃষ্ঠপোষকদেও পুরষ্কৃত করার এই ধারা চালু হয়।

গতবারের ধারাবাহিকতায় এবারো বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড পৃষ্ঠপোষকতা করছে দেশের অন্যতম বৃহৎ করপোরেট প্রতিষ্ঠান স্কয়ার গ্রুপ। তাদের ব্র্যান্ডকুল-এর সৌজ্যনে বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড নামকরণ করা হয়েছে কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড নামে।

গতবারের ধারাবাহিকতায় দর্শক ভোটে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড বেছে নেয়া হবে। যার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামীকাল মহান বিজয় দিবসে। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবসকে বেছে নেয়া হয়েছে এই কার্যক্রম শুরুর জন্য।

এবার দুই ধাপে হবে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড।

১. দর্শক মতামত
২. দর্শক পছন্দের সেরা পাঁচ খেলোয়াড়ের ভোটিং

যে কেউ পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে ২০১৬ সালের সেরা ক্রীড়াবিদের নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। ২৫ ডিসেম্বও পর্যন্ত জানানো যাবে এই মন্তব্য। কুলের ফেসবুক পেজ www.facebook.com/Kool.GetNoticed-এ গিয়ে মন্তব্য লিখতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির ওয়েবসাইটwww.bspa.com.bd-তে গিয়েও মন্তব্য জানানো যাবে।

গবার কমেন্টের ভিত্তিতে সেরা পাঁচ নির্বাচনের পর ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি শুরু হবে ভোটিং। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ পাবেন পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড। যা ঘোষণাও তুলে দেয়া হবে কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে।

বিএসপির বার্ষিক সাধারণ সভা ১৭ ডিসেম্বর

বাংলাদেশ ক্রীড়ালেখক সমিতির ২০১৬ সালের সাধারণ সভা ১৭ ডিসেম্বর ২০১৬, শনিবার সকাল ১০টায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরানা ভবনের নিচতলার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠান: বার্ষিক সাধারণ সভা ২০১৬
তারিখ: ১৭ ডিসেম্বর, শনিবার
সময়: সকাল ১০টা
ভেন্যু: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (পুরনো ভবন) সম্মেলন কক্ষ (নিচতলা)
পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

সাধারণ সভায় যথা সময়ে আপনার উপস্থিতি একান্ত কাম্য।

সাধারণ সভার সূচী :
১. রেজিস্ট্রেশন : সকাল ৯.৩০ মিনিট
২. পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত
৩. শোক প্রস্তাব পাঠ ও অনুমোদন
৪. ২০১৫ সালের বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন
৫. সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট উপস্থাপন
৬. অর্থ সম্পাদকের রিপোর্ট উপস্থাপন
৭. সাংগঠনিক সম্পাদকের রিপোর্ট উপস্থাপন
৮. শাখা সমিতির কার্যক্রম আলোচনা
৯. রিপোর্ট সমূহের উপর আলোচনা ও অনুমোদন
১০. মুক্ত আলোচনা
১১. বিবিধ
১২. মধ্যাহ্ন ভোজ

চাঁদা পরিশোধের শেষ সময় : ৩০ নভেম্বর, ২০১৬

তারিখ: ১৫-১১-২০১৬

Photo Gallery

Glorious Moment

More Photos